কলকাতা২৪x৭: এটিকে মোহনবাগান নাকি মুম্বই সিটি এফসি। দ্বিতীয়বার আইএসএল শিল্ড উইনার হয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে কোন দল, উত্তর মিলবে আজই। মেগা ফাইনালের আগে এ যেন এক অলিখিত ফাইনাল। লিগ শীর্ষে শেষ করতে হলে ড্র করলেই হবে আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের এটিকে মোহনবাগানকে। অন্যদিকে জয় ছাড়া গতি নেই মুম্বই সিটি এফসি’র।

সবমিলিয়ে আইল্যান্ডাররা অনেক বেশি চাপ নিয়ে মাঠে নামতে চললেও ম্যাচটাকে একেবারেই হালকাভাবে নেওয়ার পাত্র নন হাবাস। বরং ছেলেদের বলছেন ম্যাচটাকে ফাইনাল ম্যাচ হিসেবে দেখতে। একইসঙ্গে ড্র করলে শীর্ষস্থান নিশ্চিত হলেও কোনওভাবেই ড্র’য়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে না সবুজ-মেরুন। এটিকে মোহনবাগানের স্প্যানিশ কোচ জানাচ্ছেন, ‘ড্র করার মানসিকতা খেলায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শুরু থেকেই আমরা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চাই।’ ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়ার পাশাপাশি এই ম্যাচ জিতে প্রথম লেগে বদলা নেওয়ারও সুযোগ থাকছে হাবাসের দলের সামনে।

বার্থোলোমিউ ওগবেচের গোলে প্রথম পর্বে ০-১ গোলে মুম্বইয়ের কাছে হেরেছিল বাগান। সুপার সানডে’তে বদলার ম্যাচে মাঠে নামার আগে মোহনবাগান শিবিরে সুখবর। কান পাতলে শোনা যাচ্ছে চোট সারিয়ে মাঠে ফিরতে পারেন এডু গার্সিয়া। ফিট রয়েছেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার মার্সেলিনহোও।

উলটোদিকে তৈরি সার্জিও লোবেরার মুম্বইও। হাবাসের সঙ্গে মগজাস্ত্রের লড়াইয়ে লোবেরা। মুম্বইকে লিগ শিল্ড উইনার করতে পারলে টানা দ্বিতীয়বার দু’টি ভিন্ন দলকে কোচিং করিয়ে শিল্ড উইনার বানানোর বিরল কৃতিত্ব গড়বেন লোবেরা। ব্যাডপ্যাচ কাটিয়ে গত ম্যাচে বড় জয় পেয়ে আত্মবিশ্বাসী আইল্যান্ডাররা। রয় কৃষ্ণা, মার্সেলিনহো, ডেভিড উইলিয়ামসদের পালটা লে ফন্ড্রে, ওগবেচে কিংবা হুগো বোউমাস রয়েছেন তাঁর হাতেও। প্রথম পর্বের ম্যাচে বোউমাসকে ছাড়াই বাগানকে হারিয়েছিল মুম্বই। আর সুপার সানডে’তে পূর্ণ শক্তির দল নিয়েই হাবাসের দলের বিরুদ্ধে ডাবল করার লক্ষ্যে মুম্বই। আর তাহলেই মিলে যাবে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টিকিট।

একনজরে দু’দলের সম্ভাব্য একাদশ:
এটিকে মোহনবাগান: অরিন্দম (গোলরক্ষক), প্রীতম, তিরি, ঝিঙ্গান, শুভাশিস, মনবীর, লেনি, ম্যাকহিউ, জাভি, কৃষ্ণা, উইলিয়ামস।

মুম্বই সিটি এফসি: অমরিন্দর (গোলরক্ষক), অময়, ফল, মেহতাব, ভিগনেশ, রেনিয়ার, জাহৌ, লে ফন্ড্রে, গড্ডার্ড, বিপিন, ওগবেচে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।