মুম্বই: চার তলা বাড়ি ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা মুম্বইতে৷ মুম্বইয়ের ডোঙ্গরি এলাকায় চারতলা বাড়িটি আচমকাই ভেঙে পড়ে৷ ইতিমধ্যেই ২০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে৷ বেশ কয়েকমাস ধরেই বাড়িটি বিপজ্জনক বলে ঘোষণা করা হয়েছিল৷ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকল ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সদস্যরা৷

উদ্ধারকাজ শুরু হয় সকালেই৷ এনডিআরএফের পাঁচ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের দুটি টিম কাজ শুরু করেছে৷ বৃহন্মুব্মই পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই এলাকার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিল মহারাষ্ট্র হাউজিং অ্যাণ্ড এরিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি৷ অতিরিক্ত বৃষ্টির জন্যই বাড়িটি ভেঙে পড়ে বলে মনে করা হচ্ছে৷

উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা এখনও ৪০জনেরও বেশি মানুষ আটকে রয়েছেন ওই ভেঙে পড়ার বাড়ির তলায়৷ রাস্তা সরু হওয়ায় উদ্ধারকাজ প্রবল বাধার মুখে পড়েছে৷ দমকলের গাড়িগুলি ঢুকতে পারছে না বলে খবর৷ বলা হচ্ছে অন্ত ১৫টি পরিবার ওই বাড়িতে বাস করত৷ ফলে তাদের সবাই সেই বাড়ির ধংস্বস্তুপের তলায় চাপা পড়েছে৷ প্রাথমিক ভাবে এক শিশু সহ বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়৷

অল ইণ্ডিয়া মজলিস ই ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের বিধায়ক ওয়ারিস রহমান পাঠান জানান মহারাষ্ট্র সরকারের নূন্যতম নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.