মুম্বই: অপহরণের ৩ মাস পর কুয়ো থেকে নাবালকের পচাগলা দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলার এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তদের। ধৃতদের দফায় দফায় জেরা করছে পুলিশ। ঘটনায় আরও কারও যোগ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর নাবালক বিজয় যাদবকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের অভিযোগ ওঠে আশিস সালুঙ্কে, সাহিল শিকালগার ও শুভম যাদব নামে তিনজনের বিরুদ্ধে। অপহরণের পরই ফোন যায় বিজের বাড়িতে। ফোনে বিজয়ের পরিবারের কাছে ২৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চায় অপহরণকারীরা। এরপরই আতঙ্কে স্থানীয় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে পরিবার।

নিখোঁজ ডায়েরির পরই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সূত্র মারফত খবরের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকায় চলে তল্লাশি। একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদও করে পুলিশ। কিন্তু প্রথমটায় কিছুতেই অপহরণকারীদের চিহ্নিত করতে পারছিল না পুলিশ। ফোনের সূত্র ধরেই তদন্তের কাজ আরও এগিয়ে চলে। শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে তিন অপহরণকারী।

নাবাল বিজয় যাদবকে অপহরণে অভিযুক্ত আশিস সালুঙ্কে, সাহিল শিকালগার ও শুভম যাদবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দফায় দফায় জেরায় অপহরণের অভিযোগ স্বীকার করে নেয় অভিযুক্তরা। একইসঙ্গে ওই নাবালককে খুনের কথাও স্বীকার করে তারা। পুলিশি জেরায় তাদের দাবি, নাবালক বিজয়কে অপহরণের পর পুলিশ তাদের খোঁজ শুরু করায় তারা ঘাবড়ে গিয়েছিল।

অপহরণকারীদের দাবি, ঘাবড়ে গিয়েই ওই নাবালককে তারা খুন করে। খুনের পর মৃতদহ নাগথান এলাকার কুয়োয় ফেলে দেয় তারা। এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ তাদের খোঁজ করছে তা জানতে পেরেই নাবালককে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে তারা।

অপহরণকারীদের কাছ থেকে এই তথ্য পেয়ে সেই কুয়োর কাছে যায় পুলিশ। কুয়ো থেকে নাবালকের পচাগলা দেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত ৩ জনের বিরুদ্ধেই অপহরণ করে খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ