মুম্বই- অতিরিক্ত কাজের চাপে মর্মান্তিক পরিণতি হল মুম্বইয়ের সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার নিমিশ পিলানকারের। মাত্র ২৯ বছর বয়সে মৃত্যু হল তাঁর। জানা গিয়েছে, হাই ব্লাড প্রেশারে আক্রান্ত হয়ে ব্রেন হ্যামারেজ থেকে মৃত্যু হয়েছে নিমিশের।

বলিউডের বেশ কিছু নামজাদা ছবিতে কাজ করেছেন নিমিশ। জানা যাচ্ছে অতিরিক্ত সময় ধরে কাজ করার ফলস্বরূপই এই পরিণতি হয় তাঁর। এমনকী নিমিশের মৃত্যু ঘিরে প্রযোজক পরিচালকদের থেকে প্রতিক্রিয়াও এসেছে অনেক দেরিতে। ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, অনির্দিষ্ট সময় ও দীর্ঘ সময় ধরে কাজের চাপেই সাউন্ড টেকনিশিয়ানদের এই পরিণতি।

অভিনেতা বিপিন শর্মা টুইট করেন, বহু টেকনিশিয়ান আছে যারা অতিরিক্ত সময় কাজ করে এবং তার জন্য পারিশ্রমিকও পান না। এটা ভয়ঙ্কর। এরা কাজ হারাতে ভয় পান তাই এসব মেনে নেন। কোথাও পারিশ্রমিক পান না ঠিক মতো। কোথাও আবার যথেষ্ট পারিশ্রমিক না পেয়েও কাজ করতে শুরু করেন। নিমিশ পিলানকারের আত্মার শান্তি কামনা করি।

পরিচালক তথা প্রযোজক ম্রুণালিনি পাটিল টুইট করেনস ২৯ বছরে সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার নিমিশ পিলানকারের মৃত্যু হয়। ব্লাড প্রেশার থেকে ব্রেন হ্যামারেজ হয়েই মৃত্যু। কিন্তু কারোর কি এই নিয়ে কোনও মাথা ব্যথা আছে! বলিউডের ছবিতে টেকনিশিয়ানদের অবদান অগাধ। তারা ঘণ্টার পরে ঘণ্টা কাজ করে শুধুমাত্র ছবি ভালোবাসে বলে। কিন্তু তার কোনও কৃতিত্ব কি তারা পায়!

নিমিশের মৃত্যু চলচ্চিত্র দুনিয়ায় বিতর্ক তৈরি করে দিয়েছে। রেস ৩ ছবিতে প্রথম সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এর কাজ করেন নিমিশষ এর পরে এক লড়কি কো দেখা থা অ্যায়সা লাগা, কেসরী ও জলেবি ছবিতে কাজ করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।