চেন্নাই: চিপকে গতবারের রানার্স দিল্লি ক্যাপিটালসের সামনে চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ রোহিত শর্মার মুম্বই টস জিতে প্রথম ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন৷ প্রথম তিনটি ম্যাচ চিপকে খেলার সুবিধা পাবে মুম্বই৷ প্রথম ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে হারলেও পরের দু’টি ম্যাচে কেকেআর ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জিতে ছন্দে ফিরেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷

অন্যদিকে এদিন চিপকে ২০২১ আইপিএলে প্রথমবার খেলতে নামল দিল্লি ক্যাপিটালস৷ ঋষভ পন্তের নেতৃত্বাধীন দিল্লি ক্যাপিটালস তাদের প্রথম তিনটি ম্যাচ খেলেছেন মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে৷ চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ জিতলেও দ্বিতীয় ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হারে পন্তবাহিনী৷ কিন্তু পরের ম্যাচে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে জিতেছে দিল্লি ক্যাপিটালস৷ এদিন মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই দিল্লির৷

আজকের এই লড়াই গতবারের দুই ফাইনালিস্টের মধ্যে৷ মরু শহরে ২০২০ আইপিএলে ফাইনালে দেখা হয়েছিল এই দু’দলের৷ দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে পঞ্চমবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ লিগে এক নম্বরে শেষ করলেও ফাইনালে রোহিতের মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে কাছে হেরেছিল শ্রেয়স আইয়ারের দিল্লি ক্যাপিটালস৷ শুধু ফাইনাল নয়, গত আইপিএলে মোট চারবার দেখা হয়েছিল দিল্লি ও মুম্বইয়ের৷ চারবারই দিল্লিকে হারিয়েছিল মুম্বই৷

গত আইপিএল দিল্লি ক্যাপিটালসকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শ্রেয়স৷ কিন্তু চোটের জন্য এবার আইপিএলে নেই শ্রেয়স৷ ফলে তাঁর পরিবর্তে এবার দিল্লি ক্যাপিটালসের নেতৃত্বে উঠেছে পন্তের হাতে৷ তিন ম্যাচের মধ্যে দু’টি ম্যাচ জিতে এই মুর্হূতে লিগ টেবলে তিন নম্বরে রয়েছে দিল্লি৷ তবে একই পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে রয়েছে মুম্বই৷ কারণ রান-রেটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে পিছনে ফেলে তিনে উঠে এসেছে দিল্লি৷

দিল্লি ক্যাপিটালস একাদশ: পৃথ্বী শ, শিখর ধাওয়ান, স্টিভ স্মিথ, ঋষভ পন্ত (ক্যাপ্টেন), মাকার্স স্টওনিস, ললিত যাদব, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, শিমরণ হেটমাইয়ার, কাগিসো রাবাদা, আবেশ খান ও অমিত মিশ্র৷

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স একাদশ: কুইন্টন ডি’কক, রোহিত শর্মা (ক্যাপ্টেন), সূর্যকুমার যাদব, ইশান কিশান, কাইরন পোলার্ড, হার্দিক পান্ডিয়া, ক্রুনাল পান্ডিয়া, রাহুল চাহার, জযন্ত যাদব, জসপ্রীত বুমরাহ ও ট্রেন্ট বোল্ট৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.