প্রতীকী ছবি

কলকাতা: গোটা দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজ্যের সংক্রমণ।এবার করোনা থাবা বসালো রেল কর্মীদের শরীরে। সংক্রমণ বাড়ায় হাওড়া ও শিয়ালদহ শাখার একাধিক লোকাল ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। হাওড়া ডিভিশনে ১৬ জোড়া লোকাল ট্রেন বাতিল হয়েছে।জানা গিয়েছে ওই ডিভিশনের একাধিক গার্ড করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।তাই মঙ্গলবার থেকে মেমরি, শেওড়াফুলি, শ্রীরামপুর, পাণ্ডুয়া, তারকেশ্বর লোকালের মত ১৬ জোড়া ট্রেন বাতিল হয়েছে।

প্রায় একই পরিস্থিতি শিয়ালদহ ডিভিশনেও। ৩০ জন চালক ও দশজন গার্ড আক্রান্ত ওই ডিভিশনে। শিয়ালদহের ডিআরএম এস পি সিং বলেন, বুধবার ছুটির দিন ছিল। তাই ট্রেন কম চলেছে। এই ডিভিশনেও আগামী এক দু’দিনের মধ্যে পাঁচ—ছ’জোড়া ট্রেন বাতিল করা হবে। চারশোর কিছু বেশি চালক রয়েছে। ফলে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই।

উল্লেখ্য শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ লক্ষেরও বেশি। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হল ১ হাজার ৩৮ জনের।দেশে এখন মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ কোটি ৪০ লক্ষ ৭৪ হাজার ৫৬৪ জনের। এরমধ্যে অবশ্য সুস্থ হয়ে উঠেছে এমন মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ২৪ লক্ষ ২৯ হাজার ৫৬৪ জন। দেশে করোনার অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ১৪ লক্ষ ৭১ হাজার ৮৭৭ জনে এসে দাঁড়িয়েছে। করোনার ভয়াল থাবায় এখন অবধি মৃত্যু হয়েছে মোট ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ১২৩ জনের।

দেশের সঙ্গে রাজ্যেও লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য সরকারের তরফে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। শহর কলকাতায় করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে ইতিমধ্যেই নবান্নের তরফে কলকাতা পুরনিগমকে তৎপরতা বাড়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শহরের যে এলাকাগুলিতে সংক্রমণ বাড়ছে সেগুলিকে মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার সব বরোগুলিকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

কোন কোন এলাকা থেকে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে সেগুলি চিহ্নিত করে একটি রিপোর্ট পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, যে কলকাতার আবাসনগুলি এবং জনবহুল বাজারগুলি থেকেই করোনা সবচেয়ে বেশি ছড়াচ্ছে। তবে সংক্রমণ মোকাবিলায় পুরোদমে কাজ করছেন পুরসভার কর্মীরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.