শ্রীনগর : জম্মু কাশ্মীরের রামপুর সেক্টর থেকে খোঁজ মিলল জঙ্গিদের গোপন একাধিক ঘাঁটি। অত্যন্ত গোপনে এই ঘাঁটিগুলি লুকোনো ছিল বলে জানিয়েছে সেনা। এরই সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। বারামুল্লা জেলায় উদ্ধার হওয়া এই জঙ্গি ঘাঁটি বেশ কয়েক মাস ধরেই তৈরি করা হয়েছিল বলে মনে করছে সেনা।

রিপোর্ট জানাচ্ছে, ওই এলাকায় বেশ কয়েকদিন ধরেই সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধি লক্ষ্য করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পৌঁছয় সেনার কাছেও। এরপরেই সুযোগ বুঝে বারামুল্লা জেলা জুড়ে কড়া তল্লাশি শুরু করে সেনা। সেনা জানতে পারে, ওই এলাকায় অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। সেনা জানিয়েছে ঘন পার্বত্য অঞ্চলের জঙ্গল ও খারাপ আবহাওয়ার সুযোগ নিয়ে বছরের এই সময় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে জঙ্গিরা।

অন্যদিকে, ৩০শে অগাষ্টও বারামুল্লা জুড়ে তল্লাশি অভিযান চালায় সেনার চিনার কর্পস। মূলত চিরুণি তল্লাশি চলে বানালি জঙ্গলে। উদ্ধার করা হয় প্রচুর অস্ত্র। এর মধ্যে ছিল ৭৪ রাউন্ড গুলি, ১টি চিনা পিস্তল, ২টি একে ৪৭ রাইফেল তৈরির সরঞ্জাম, ১টি ম্যাগাজিন, ১০টি গ্রেনেড ও পিস্তলের ৩৮ রাউন্ড গুলি।

তবে সোমবার যে তল্লাশি চলে, তা গোটা দিনভর চালানো হয় বলে খবর। জানা গিয়েছে ৫টি একে সিরিজের রাইফেল, ছটি ম্যাগাজিন, দুটি সিল করা বাক্সে ১২৫৪ রাউন্ড একে সিরিজের রাইফেলের গুলি। ছটি পিস্তল ও তার সাথে ৯টি ম্যাগাজিন, পিস্তলের ৬ রাউন্ড গুলি, ২১টি গ্রেনেড, ২টি ইউবিজিএল গ্রেনেড, ২টি কেনউড রেডিও সেট ও একটি অ্যান্টেনা।

এই ঘাঁটিগুলিতে অস্ত্রের সম্ভার গড়ে তোলার পিছনে মূল কারণ হল এই ঘাঁটিগুলি সীমান্তের খুব কাছে গড়ে উঠেছে। এখান থেকে অস্ত্র পাচার ও আমদানিতে সুবিধা হয়। খুব সহজেই এখান থেকে অস্ত্র নিয়ে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয় উপত্যকায়।

এদিকে, দিন কয়েক আগেই ভারত পাকিস্তান সীমান্তে গুপ্ত টানেল উদ্ধার করে বর্ডার সিকিওরিটি ফোর্স বা বিএসএফ। জম্মুতে ভারত পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমানার খুব কাছেই টানেলটি উদ্ধার করে বিএসএফ জওয়ানরা।

ওই এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছিল বিএসএফ। আচমকাই প্রায় ঢাকা দেওয়া ওই টানেলটি নজরে আসে বিএসএফ আধিকারিকদের। সঙ্গে সঙ্গে জোরদার তল্লাশি শুরু হয়। ভারতে পাক জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের জন্যই টানেলটি বানানো হয়েছিল বলে জানায় বিএসএফ।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।