স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্য নির্বাচন কমিশন কোনও নিরপেক্ষ সংস্থা চালাক, চান বিজেপি নেতা মুকুল রায়৷ পুর আইন অনুযায়ী, রাজ্য নির্বাচন কমিশন পঞ্চায়েত এবং পুরসভা নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশন যেহেতু অনেকাংশে রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন, সেই কারণে বারবার পুর এবং পঞ্চায়েত ভোটে পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে৷

মুকুলের বক্তব্য, তিনি বিজেপির অভ্যন্তরীন বৈঠকে প্রস্তাব দিতে পারেন যে কোনও নিরপেক্ষ সংস্থা, যেমন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন পুরভোটের সময় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করুক৷ একে পক্ষপাতদুষ্টতার অভিযোগ উঠবে না৷ নির্বাচন হবে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ৷

রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মুকুল৷ মুকুলের দাবি, ওই সরকারি আমলা রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় পঞ্চায়েত দপ্তরের সচিব ছিলেন৷ তার নেতৃত্বেই মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধাদান থেকে শুরু করে যাবতীয় অনৈতিক কাজকর্ম চালিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা৷ ওই অফিসারই আদালতে রাজ্যের পক্ষে মামলা লড়তে গিয়েছিলেন৷ ওই অফিসারের নেতৃত্বে কী করে নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে?

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই, রাজ্যের নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব হয়েছেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় । এর তিনি শিল্প সচিব ছিলেন; পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দফতরের সচিবও ছিলেন। মুকুলের দাবি আলাপনবাবুকেও প্রাইজ পোস্টিং দেওয়া হয়েছে৷ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ, রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব অত্রি ভট্টাচার্যকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ভোট প্রক্রিয়ায় অবাঞ্চিতভাবে হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এরপর আলাপনবাবু স্বরাষ্ট্রসচিব হন৷

এদিন মুকুল দাবি করেছেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে মানুষ অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পাবে৷