স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ‘ভারতের ৫০০ বছরের ইতিহাসে অযোধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর হাতে রাম মন্দিরের শিলান্যাস অনুষ্ঠান আসলে ভারতীয়দের ভাবাবেগের জয়। ৫০০ বছরের ইতিহাসে রাম মন্দিরের শিলান্যাস আসলে একটি অধ্যায়ের গৌরবময় পরিসমাপ্তি ঘটল বলা যায়। এই রাম মন্দির নিয়ে বিগত দিনে বহু লড়াই, যুদ্ধ বা বিতর্ক হয়েছে, এই শিলান্যাসের মাধ্যমে সমগ্র ভারতবাসীর ভাবাবেগের জয় হল।’

দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে রাম মন্দিরের শিলান্যাস অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পরে নিজের কাঁচরাপাড়ার ঘটক রোডের বাড়িতে নিজে হাতে রাম পুজো করে এই প্রতিক্রিয়াই দিলেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা মুকুল রায় ।

অযোধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন রাম মন্দিরের শিলান্যাস করলেন, ঠিক তখনই বুধবার দুপুরে নিজের কাঁচরাপাড়ার বাড়িতে রামের পুজো করলেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা মুকুল রায় । মুকুল রায় দীর্ঘদিন ধরেই রামের পুজো করেন ।

তবে বুধবার দিনটা তার কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ছিল । এদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে শিলান্যাস হয়ে গেল বহু প্রতীক্ষিত অযোধ্যার রাম মন্দিরের। রাম মন্দিরের শিলান্যাস উপলক্ষে গোটা দেশের বিজিপি নেতা ও কর্মীরা উৎসাহের সঙ্গে তাদের মত করে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করলেন।

বিজেপি নেতা মুকুল রায় তার কাঁচরাপাড়ার বাড়িতে বসেই রাম মন্দিরের শিলান্যাস উপলক্ষ্যে প্রভু শ্রী রামের পুজো করলেন নিজে হাতে, রাম, লক্ষণ ও সীতার মূর্তিতে মালা পরিয়ে ধুপ, ধুনো দিয়ে আরতি করলেন ।

বুধবার বিজিপি নেতা মুকুল রায় তার কাঁচরাপাড়ার ঘটক রোডের বাড়িতে রামের পুজো করে সংবাদিকদের বলেন, “আজ বহু প্রতিক্ষিত রাম মন্দিরের শিলান্যাস হয়ে গেল। এটা ভারতীয়দের ভাবাবেগের জয় হল। এই দিনটির জন্য ভারতের জনগন ৫০০ বছর ধরে অপেক্ষা করেছেন, অনেক লাড়াই করে আজকের এই গৌরবোজ্জ্বল দিনটি আমরা পেয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আজ অযোধ্যায় পবিত্র রাম মন্দিরের শিলান্যাস করলেন । আমরাও আজকের পবিত্র দিনে নিজেদের বাড়িতে শ্রী রামের পুজো করলাম । আমি হিন্দুর ছেলে হিসেবে নিজের ধর্মকে বিশ্বাস করি ও অন্যের ধর্মকে শ্রদ্ধা করি । আজকের দিনে দাঁড়িয়ে আমার মনে হচ্ছে এটা ভারতীয়দের ভাবাবেগের জয় হল ।”

এদিন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং, নোয়াপাড়ার বিধায়ক সুনীল সিং ও অন্যান্য জেলার বিভিন্ন বিজেপি নেতারা নিজেদের বাড়িতে রাম পুজো করেছেন।

সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, “রামের শক্তি বাংলায় পরিবর্তন আনবে । বাংলার মানুষ তৃণমূল সরকারকে আর দেখতে চায় না ।” এদিন রাম পুজো উপলক্ষে জগদ্দলের বিজেপি কর্মীরা পথ চলতি নাগরিকদের মধ্যে পদ্মফুল ও লাড্ডু বিতরণ করেন।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা