স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: ”২০১৭ সালের যতদিন পর্যন্ত আমি তৃণমূলে ছিলাম ততদিন পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে কোনও মামলা ছিল না। কিন্তু যেই বিজেপিতে যোগ দিলাম, তারপর আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ৪৪টি মামলা করা হয়েছে।”

চতুর্থীর দুপুরে নয়টি মামলার অভিযুক্ত হিসেবে বারাকপুর মহাকুমা আদালতে হাজিরা দিতে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ঠিক এই ভাষাতেই ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়।

মঙ্গলবার দুপুরের পর নোয়াপাড়া, ভাটপাড়া এবং জগদ্দল থানা এলাকার ৯ টি মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে বারাকপুর আদালতে বিচারকের সামনে হাজিরা দেন মুকুল রায়।

এদিন আদালতে এসে কেন্দ্রীয় বিজেপির সহ সভাপতি মুকুল রায় আরও বলেন, “আমি ভারতীয় বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আজকে বারাকপুর আদালতে এখানকার ৩ টি থানা এলাকার মোট ৯ টি মামলায় হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাই আমি আদালতে আসলাম। সব থেকে আশ্চর্যের বিষয় হল, ২০১৭ সালের যতদিন পর্যন্ত আমি তৃণমূলে ছিলাম ততদিন পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে কোনও মামলা ছিল না। কিন্তু যেই বিজেপিতে যোগ দিলাম, তারপর আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ৪৪টি মামলা করা হয়েছে। কলকাতায় ইতিমধ্যে আমার বিরুদ্ধে করা ১২ টি মামলা থেকে আমি বেকসুর খালাস হয়েছি। আজকে এখানে হাজিরা দিলাম, আমি বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আবার যেদিন আসতে বলব আসব। তৃণমূল দল প্রতিহিংসা পরায়ণ কি না জানি না, তবে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা করা হয়েছে। আর সব ধরনের মামলা দিয়েছে ওরা। আমি দেশের বিচার ব্যবস্থায় সঠিক বিচার পাব, এই আশা রাখি।”

এদিন বারাকপুর আদালতে এসে ফের একবার মুকুল রায় স্থানীয় বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা হত্যা কান্ডের বিষয়ে খোঁজ খবর নেন । তিনি সাংবাদিকদের এদিন ফের বলেন, “টিটাগড় থানার সামনে প্রকাশ্যে যে ভাবে মণীশ শুক্লাকে খুন করা হয়েছে, সেই ঘটনায় আমাদের সিআইডি তদন্তে আস্থা নেই। আমরা রাজ্যপাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিষয়টি জানিয়েছি। আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। মনীশের খুনিরা দ্রুত শাস্তি পাক।”

এছাড়াও দুর্গাপুজো নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, দুর্গাপুজো নিয়ে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে, তাকে সম্মান করি। এই নিয়ে কিছু বলার নেই। এই রায় সবার মেনে চলা উচিত । আমাদের দলের কোনও নেতাদের কোন উদ্বোধন কর্মসূচি নেই। ইনডোর হলে কিছু অনুষ্ঠান আছে।”

তবে এদিন বারাকপুর আদালতে এসে স্থানীয় বিজেপি নেতাদের সঙ্গে শিল্পশহরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বেশ কিছুক্ষন আলোচনা করেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.