কলকাতাঃ বিপাকে পড়তে চলেছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। তাঁর নামে দিল্লির নির্বাচন সদনে লিখিত অভিযোগ জানালেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) আরিজ আফতাব। মুকুল রায়ের আচরণ নিয়ে ক্ষুব্ধ কমিশন। আর সেই কারণেই দিল্লির কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন আরিজ আফতাব। কোচবিহারের ২৭০টিরও বেশি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাতে গিয়ে গত শুক্রবার সিইও-র চেম্বারের মেঝেয় সদলবলে বসে পড়েছিলেন মুকুল। সিইও-র দপ্তরের একাধিক আধিকারিকের নাম করে অভিযোগও তোলেন মুকুল। যা এক রকম নজিরবিহীন ঘটনা। পুরো বিষয়টি উল্লেখ করে নির্বাচন সদনে জানিয়েছেন আফট্যাবসাহেব।

অন্যদিকে বিজেপির এই বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্যে কমিশনের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তড়িঘড়ি কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (সদর) জাভেদ শামিম ও অন্য শীর্ষকর্তাদের জরুরি বৈঠকে দফতরের নিরাপত্তা বাড়ানোরও সিদ্ধান্ত হয়। দপ্তরের একতলায় সর্বক্ষণ এসি পর্যায়ের পুলিশ আধিকারিক থাকবেন বলে ঠিক হয়। সিদ্ধান্ত হয়, এ বার থেকে কোনও রাজনৈতিক দলের নেতারা কমিশনে দেখা করতে এলে আগাম জানাতে হবে, প্রতিনিধিদলে ক’জন থাকবেন। সমস্ত তথ্য জানার পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যে রাজনৈতিকদলের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কমিশনার দেখা করবেন কিনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.