স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: পুলিশ সুপারকে হুমকি দিয়ে বিতর্কে বিজেপি নেতা মুকুল রায়৷ কোচবিহারে’র এসপি অভিষেক গুপ্তাকে ‘দেখে নেব’ বলে হুমকি দেন তিনি৷

আরও পড়ুন: ‘‘ভয় পাচ্ছেন নাকি’’, ভরা মাঠে ‘খামোশ’ জনতাকে প্রশ্ন মমতা’র

প্রধানমন্ত্রী এদিন উত্তরবঙ্গে দ্বিতীয়বারে’র জন্য প্রচার সভা করেন৷ কোচবিহারে’র বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিকের’র সমর্থনে হয় এই সভা৷ মঞ্চে তখন সবে এসে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী৷ বক্তব্য রাথছেন মুকুল রায়৷ সেই সময়ই রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ভোটের দাবিতে সরব হন তিনি৷ সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোটের দাবি জানান তিনি৷

সেই সময়ই তিনি বলেন, ‘‘এই জেলার ভোটের রিটার্নিং অফিসার ও পুলিশ সুপারকে বলব গায়ের উর্দি খুলে ফেলুন৷ প্রধানমন্ত্রী সভা করা নিয়ে যা নোংরামি করেছেন তা ভোলার নয়৷’’ এরপরই মুকুল রায় পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার কথা তুলে ধরেন৷ কিছুটা হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, ‘‘দশ বছর আমিও রাজনীতিতে থাকবো৷ দেখবো অভিষেক গুপ্তা তুমি কত বড় অফিসার৷’’

বিরোধের সূত্রপাত রাসমেলা মাঠে প্রধানমন্ত্রী’র সভা ঘিরে৷ প্রধানমন্ত্রী’র এদিনের সভাস্থল ঘিরে বিতর্ক দানা বাঁধে৷ এই মাঠেই সোমবার সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী৷ মোদীর সভার আগেই তাই মঞ্চ বেঁধে মাঠ দখলের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মাঠ জুড়ে বেঁধে দেওয়া হয় জোড়াফুলের পতাকা৷ এরপরই নির্বাচনের কমিশনে অভিযোগ জানায় গেরুয়া শিবির৷। চলে যুযুধান দুই শিবিরে’র চাপানউতোর৷ এরপরই দুই শিবিরের সঙ্গে বৈঠক করে প্রশাসন৷ স্থির হয় তৃণমূলের  মূল মঞ্চ রেখে বাকি সব খুলে ফেলতে হবে শাসক দলকে৷

আরও পড়ুন: ‘সারদা নারদার কমরেডকে পাশে নিয়ে মিটিং করছেন,’ মোদীকে জবাব মমতার

এই ঘটনার জন্য জেলা পুলিশ প্রশাসনকে দায়ী করে পদ্ম শিবির৷ এদিন প্রধানমন্ত্রীর সভায় কোচবিহারের পুলিশ সুপারে’র উপর রাগ উগরে দেন মুকুল রায়৷ তবে রাজ্য বিজেপির ‘চাণক্যে’র মন্তব্যে বিতর্ক মাথাচাড়া দিল বলে মনে করা হচ্ছে৷