স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: এক সময় তৃণমূলের ‘ক্রাইসিস ম্যান’ বলা হত তাঁকে। এবারে তিনি ‘ড্যামেজ কন্ট্রোলারের’ ভূমিকায়।

সোমবার বিকালেই দিল্লি উড়ে গেলেন মুকুল রায়। রাজ্য বিজেপির অন্দরের খবর, ‘ড্যামেজ কন্ট্রোলে’ গিয়েছেন তিনি। তাঁর প্রথম কাজ, ক্ষুব্ধ শোভন চ্যাটার্জিকে বোঝাবেন তিনি। বিভিন্ন ব্যাপারে শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং তার বান্ধবী অধ্যাপিকা বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ। রাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা। দরকার হলে বিজেপি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে, শোভন-বৈশাখীকে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বোঝানোর চেষ্টা করতে পারেন মুকুল।

অন্যদিকে, বিজেপিতে যোগদান নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলতে পারেন মুকুল। রাজ্য বিজেপিতে অনেকেই মুকুল রায়ের হাত ধরে যোগদান করছেন। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বের একাংশের সঙ্গে মুকুল রায়ের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। রাজ্য বিজেপির অন্দরের যা খবর, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগদান নিয়ে মুকুলের মতভেদ স্পষ্ট হয়েছে। রাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় সেটা ভালোই জানেন। তবে রাজ্য বিজেপিতে মুকুলের গুরুত্বের কথা ভেবে কেন্দ্রীয় পার্টির কাছে তা সাফ করে রাখতে চান কৈলাস।

এছাড়া, প্রয়াত অরুণ জেটলির স্মরণ সভাতেও অংশগ্রহণ করবেন মুকুল।

সোমবার সল্টলেকে সব্যসাচী দত্ত’র পুজো উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পরই ৫টার বিমানে দিল্লিতে উড়ে গিয়েছেন মুকুল। শোভন-বৈশাখী কিংবা ‘অন্যদল থেকে বিজেপিতে যোগদান’ – বিভিন্ন ইস্যুতে পার্টিতে মতবিরোধ নিয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে সোমবার রাতেই দিল্লিতে নামছেন মুকুল।