স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তৃণমূল সরকারে ফিরছে না৷ এটা ভেবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বিগ্ন৷ তাই আমার নামে মিথ্যে কেস দেওয়া হচ্ছে৷ সরশুনা প্রতারণাকাণ্ডে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়৷

রেলের স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ পাইয়ে দেওয়ার জন্য দফায় দফায় ৭০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের নেতা বাবান ঘোষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ ওই এফআইআর-এ বিজেপি নেতা মুকুল রায়েরও নাম রয়েছে৷ সরশুনা থানায় এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়। বুধবার বাবানকে আলিপুর আদালতে তোলা হবে।

ব্যবসায়ী সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ২০১৫ সালে সুরেশ প্রভু রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বিজেপি নেতা বাবান ঘোষ তাঁকে রেলের স্থায়ী কমিটিতে স্থায়ী সদস্য পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন৷ সন্তুবাবুকে সংসদেও নিয়ে যাওয়া হয়৷ রেলের দফতর থেকে মন্ত্রীর সই করা কিছু কাগজও তাঁকে দেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু পরে যখন আমার সন্দেহ তখন সেই কাগজগুলো নিয়ে পূর্ব রেলের সদর দফতর ফেয়ারলি প্লেসে যান৷

ওই ব্যবসায়ীর দাবি পরবর্তী ক্ষেত্রে যখন তিনি বুঝতে পারেন পুরোটাই প্রতারণা, তখন তিনি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তারপরই ঘটনার তদন্ত শুরু করে আজ পাটুলির বাড়ি থেকে বাবান ঘোষকে গ্রেফতার করেছে সরশুনা থানার পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ (প্রতারণা), ১২০-বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তকে আজ আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে চাইবে পুলিশ। বাবান এবং মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তা পুরোপুরি অস্বীকার করেছে বিজেপি শিবির। তাদের দাবি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।মুকুল রায়ের বিরুদ্ধেও চার্জ গঠন করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রতারণা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বুধবার আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মুকুল রায়৷ আগামীকাল তাঁর জামিনের শুনানি রয়েছে৷ এদিন তিনি বলেন, “আমার নামে এরকম ২৯টি মামলা রয়েছে৷ এরমধ্যে ১৫-১৬টি মামলাতেই পরে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, তাঁকে চাপ দিয়ে অভিযোগ করানো হয়েছে৷ তৃণমূল সরকারে ফিরছে না৷ এটা ভেবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বিগ্ন৷ তাই আমার নামে মিথ্যে কেস দেওয়া হচ্ছে৷ “

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.