স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দিল্লিতে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তলবের খবর উড়িয়ে দিলেন মুকুল রায়। জানালেন, অমিত শাহ তাঁকে ডাকেননি। মুকুলের এই মন্তব্যে ফের নতুন করে জল্পনা সৃষ্টি হল। কদিন আগেই দিলীপ ঘোষদের সঙ্গে দিল্লির বৈঠকে মুকুল রায়ের মতানৈক্য হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল। ক্ষুব্ধ মুকুল মাঝপথে বৈঠক ছেড়ে কলকাতায় চলে আসেন।

পড়ুন আরও- ভারতীয় সেনায় গোর্খাদের যোগ দেওয়ার প্রয়োজন ফুরিয়েছে, দাবি নেপালের

যদিও তিনি জানান, চোখের ডাক্তার দেখাতে কলকাতায় ফিরেছেন। তারপরই বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছিল, শুক্রবার মুকুল রায়কে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। ওইদিন তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারেন অমিত শাহ। কিন্তু দেখা গেল এদিন মুকুল রায় কলকাতাতেই ছিলেন। মুকুল জানিয়েছেন, সোমবার তিনি দিল্লিতে যাবেন। তবে ব্যক্তিগত কাজে। প্রসঙ্গত, বিজেপিতে যথেষ্ট গুরুত্ব না পেয়ে মুকুল রায় তৃণমূলে ফিরছেন।

পড়ুন আরও বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ফের জঙ্গি কার্যকলাপ ছড়াচ্ছে: মানিক সরকার

গত কদিন ধরেই রাজ্য-রাজনীতিতে এই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তাঁকে ঘিরে নানান প্রশ্নের উত্তর রবিবার দিয়েছেন মুকুল রায়। তিনি বলেছেন, ”বিজেপিতে যোগ দিয়ে আমি একশো শতাংশ সন্তুষ্ট। আমার কাছে দলের সংগঠনই বড় কথা। আমি দলের সংগঠনটাই করব। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আগে যেমন যোগাযোগ ও সম্পর্ক ছিল, সেরকমই আছে।”এরপরই শুক্রবার তাঁর দিল্লিতে যাওয়ার খবর রটেছিল।

এও শোনা গিয়েছিল, মুকুলকে দিল্লিতে ডাকার পেছনে বাবুল সুপ্রিয় ও স্বপন দাশগুপ্তর ভূমিকা আছে বলে খবর। কারণ তাঁরাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে মুকুল রায়ের ‘গুরুত্ব’ বুঝিয়েছেন। কিন্তু তারপরও শুক্রবার অমিত-মুকুলের মুখোমুখি না হওয়ায় দিলীপ শিবির স্বস্তি পেল বলেই মনে মত রাজনৈতিক মহলের।

এ দিকে, শুক্রবারই দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন দুই মুকুল-ঘনিষ্ঠ সাংসদ সৌমিত্র খান এবং নিশীথ প্রামাণিক।

তাঁদের দাবি, তাঁরা পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় দুই বিজেপি কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত এবং রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে ৩৫৬ জারির আর্জি জানিয়েছেন অমিত শাহের কাছে। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অবশ্য ৩৫৬-র বিরোধী।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ