প্রতীকী ছবি৷

নয়াদিল্লি: লোকসভায় তৃণমূলে বিপর্যয়৷ দলনেত্রীর বিশ্লেষণ বামেদের ভোট বিজেপিতে চলে যাওয়ার ফলেই এই হার৷ তবে, আসল কারণ ব্যাখ্যা করলেন রাজ্য বিজেপির চাণক্য মুকুল রায়৷

মঙ্গলবার, তৃণমূলে যোগ দেন বীজপুরের তৃণমূল বিধায়ক মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায়৷ তাঁর সঙ্গেই গেরুয়া শিবিরের নাম লেখান তৃণমূলের বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তুষারকান্তি ভট্টাচার্য ও হেমতাবাদের সিপিএম বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়৷ এছাড়াও এদিন উত্তর ২৪ পরগনার চার পুরসভা হালিশহর, কাঁচড়াপাড়া, ভাটপাড়া ও নৈহাটির রংও সবুজ থেকে গেরুয়া হয়ে যায়৷

আরও পড়ুন: BigBreakingNews- মোদীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন মমতা

লোকসভা ভোটের ফলাফলেই স্পষ্ট, রাজ্যে বামেদের ২৭ শতাংশ ভোটের থেকে ২০ শতাংশই চলে গিয়েছে বিজেপিতে৷ এছাড়া হিন্দু প্রভাবিত এলাকাতেও ভালো ফল করেছে গেরুয়া শিবির৷ ফলে তাদের ভোট গত লোকসভার তুলনায় বেড়েছে অনেকটাই৷ ১৭ থেকে ভোট শতাংশের বিচারে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশে৷

এই উত্থানের পিছনে কী রয়েছে শুধুই বাম ভোট? নয়াদিল্লিতে দলের সদর দফতরে বলে মুকুল রায় এদিন বলেন, ‘‘তৃণমূলে থাকবে, ভোট করাবে বিজেপির৷’’ অর্থাৎ পরিস্কার, বহু তৃণমূল নেতা, কর্মী প্রকাশ্যে দলের হয়ে প্রচার বা পোস্টারিং করলেও ভোট তারা দিয়েছে বিজেপিতেই৷ ভিতরে ভিতরে শক্তি বৃদ্ধি করেছে গেরুয়া শিবিরের৷ মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ‘‘দলে থেকেই ‘গদ্দারে’র সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বেশ কয়েকজন৷’’

আরও পড়ুন: ২১ এর আগেই মমতার বিধায়করা বিজেপিতে এলে কিছু করার নেই: বিস্ফোরক কৈলাশ

এদিনর দলবদলের পর যা আরও স্পষ্ট৷ প্রধানমন্ত্রী থেকে মুকুল রায়, আগাগোড়াই বলে আসছেন তৃণমূলের বহু বিধায়ক বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন৷ এদিন কৈলাস বিজয়বর্গীয়তো বলেই দিলেন, ‘‘সাত দফায় রাজ্যে ভোট হয়েছে, ঠিক তেমনভাবেই তৃণমূল বিধায়ক, কাউন্সিলর, নেতারা বিজেপিতে যোগ দেবেন৷’’ এই দাবি বাস্তবে মিলে গেলে বোঝাই যাচ্ছে লোকসভা ভোটের সময় এরা রাজ্যের শাসক দলে থাকলেও ভিতরে ভিতরে পাপড়ি মেলতে সুবিধা হয়েছে পদ্ম শিবিরেরই৷

গত শনিবার, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেই দলের হারের ময়না তদন্ত হয়৷ তাতে প্রকাশ্যে বামেদের ঘাড়া দায় চাপানো হলেও আলোচনায় উঠে আসে ‘গদ্দার’দের প্রসঙ্গও৷ সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ময়না তদন্ত শুরু হয়েছে৷ কারা কারা আছেন সেই তালিকায় তা খুঁজে বার করার পক্রিয়া চলছে৷ তবে একটা বিষয় নিশ্চিত, মুকুলের কৌশলেই ১৯শের ভোটে অ্যাডভানটেজ বিজেপি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।