কলকাতা: আরএসএস কর্মীর গুলিকাণ্ডে তোষণের অভিযোগ তুললেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। গার্ডেনরিচে বিক্ষোভ সভার ডাক দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু সেই সভায় যাওয়ার আগে মাঝপথে বিজেপি নেতাদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপরই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুকুল রায়।

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ মেটিয়াবুরুজ থানার কাছেই গুলিবিদ্ধ হন আরএসএস কর্মী বীর বাহাদুর। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই বিক্ষোভ দেখাতে যাচ্ছিল বিজেপি। কিন্তু, ফিরে আসতে বাধ্য হন মুকুল রায়, অনুপম হাজরা ও সব্যসাচী দত্তরা। পরে সাংবাদিক বৈঠকে মুকুল রায় দাবি করেন, পুলিশের সহযোগিতায় বিজেপি নেতাদের উপরে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। ছোঁড়া হয়েছে ইট-পাটকেল।

মুকুল রায় বলেন,”১৩৭ নম্বর ওয়ার্ড আপনারা একবার ঘুরে আসুন। দেখবেন মেয়র ও মুখ্যমন্ত্রীর মদতে কীভাবে বেআইনিভাবে বহুতল নির্মাণ করা হচ্ছে! সমস্ত বাড়ি বেআইনি। সেখানকার আদি বাসিন্দাদের উত্খাত করা হচ্ছে। ভেঙে দেওয়া হয়েছে মন্দির। ফেলে দেওয়া হয়েছে বিগ্রহ।” তা সত্বেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

মুকুল রায়দের ঘিরে এদিন বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। দেখানো হয় কালো পতাকা। মুকুল রায়ের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডারা পুলিসের সহযোগিতা নিয়ে আমাদের উপরে হামলা করল। ইট-পাথর ছুড়ল। ভয়াবহ পরিস্থিতি। রাজ্যে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পরিস্থিতি নেই। স্বাভাবিকভাবে চলে আসতে হল।

তিনি আরও বলেন, ”বাংলায় সংবিধান মানছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপাল বিধানসভায় যাওয়ার জন্য স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন। বিধানসভার গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটা সংবিধানের লজ্জা। বাংলার সংস্কৃতির লজ্জা। সাংবিধানিক প্রধানকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। আগের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের তালা বন্ধ করে দেওয়া হল। অরাজকতা চলছে পশ্চিমবঙ্গে। বিজেপি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পদক্ষেপ করব। মেটিয়াাবুরুজ চলোর ডাক দেব।”