স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সরশুনা প্রতারণাকাণ্ডে আগাম জামিনের আবেদন জানাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন মুকুল রায়৷ বুধবার তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন৷ আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি৷

উল্লেখ্য়, রেলের স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ পাইয়ে দেওয়ার জন্য দফায় দফায় ৭০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের নেতা বাবান ঘোষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ ওই এফআইআর-এ বিজেপি নেতা মুকুল রায়েরও নাম রয়েছে৷ সরশুনা থানায় এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়। বুধবার বাবানকে আলিপুর আদালতে তোলা হবে।

ব্যবসায়ী সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ২০১৫ সালে সুরেশ প্রভু রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বিজেপি নেতা বাবান ঘোষ তাঁকে রেলের স্থায়ী কমিটিতে স্থায়ী সদস্য পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন৷ সন্তুবাবুকে সংসদেও নিয়ে যাওয়া হয়৷ রেলের দফতর থেকে মন্ত্রীর সই করা কিছু কাগজও তাঁকে দেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু পরে যখন আমার সন্দেহ তখন সেই কাগজগুলো নিয়ে পূর্ব রেলের সদর দফতর ফেয়ারলি প্লেসে যান৷

আরও পড়ুন : ‘বিজেপি কেন, কেউই নষ্ট মেয়েকে ফুলমালা দেবে না’, বৈশাখীকে আক্রমণ রত্নার

ওই ব্যবসায়ীর দাবি পরবর্তী ক্ষেত্রে যখন তিনি বুঝতে পারেন পুরোটাই প্রতারণা, তখন তিনি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তারপরই ঘটনার তদন্ত শুরু করে আজ পাটুলির বাড়ি থেকে বাবান ঘোষকে গ্রেফতার করেছে সরশুনা থানার পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ (প্রতারণা), ১২০-বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তকে আজ আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে চাইবে পুলিশ। বাবান এবং মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তা পুরোপুরি অস্বীকার করেছে বিজেপি শিবির। তাদের দাবি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

মুকুল রায়ের বিরুদ্ধেও চার্জ গঠন করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রতারণা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে৷