স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: শাসক দলের রিগিং, সন্ত্রাস, বুথ জ্যামের অভিযোগ উঠছে গেরুয়া শিবিরের তরফে৷ তা সত্ত্বেও রাজ্যের যে পাঁচটি আসনে ভোট হল প্রত্যেকটিতেই জিতবে বিজেপি৷ দাবি মুকুল রায়ের৷ পালটা দিয়ে জলপাইগুড়ির তৃণমূল সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তীর বলেন, ‘‘জলপাইগুড়ি সহ প্রত্যেকটা লোকসভাতেই সবুজ আবির উড়বে ২৩শে মে৷’’

জামাই আদরে ভোট হয়েছে: সৌরভ চক্রবর্তী

জামাই আদরে ভোট হয়েছে: সৌরভ চক্রবর্তী

Kolkata24x7 यांनी वर पोस्ट केले गुरुवार, १८ एप्रिल, २०१९

রাজ্যের তিন লোকসভা কেন্দ্রে সাধারণ ভোটাররা বারবার সংবাদমাধ্যমের সামনে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর৷ কেন্দ্রীয় বাহিনী না হলে ভোট দিতে যাবেন না এরকমও জানিয়েছেন অনেকে৷ সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য বিজেপির নেতারা হম্বিতম্বি করে কেন্দ্রীয়বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর কথা বলেছিলেন৷ কিন্তু প্রথম দফার পর রাজ্যে দ্বিতীয় দফাতেও কেন্দ্রীয়বাহিনীর অপ্রতুলতা সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে৷

আরও পড়ুন: এদের দেখে লজ্জা হয়, পুলিশকে কটাক্ষ বিজেপি প্রার্থীর

যদিও বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতা মুকুল রায় জানিয়েছেন, ‘‘ রাজ্যে গণতন্ত্র নেই সে কথা আমরা অনেকদিন থেকে বলে আসছি৷ নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে দ্বিতীয় দফায় তিন লোকসভা কেন্দ্রের ৮০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয়বাহিনী দিতে পেরেছে৷ তাই প্রথম দফার থেকে বিক্ষিপ্ত ঘটনা কিছুটা কম৷’’

আরও পড়ুন: জ্যোতিষীর কথা মেনেই দুপুর ২টোয় মনোনয়ন জমা দিয়েছি: বিজেপি প্রার্থী

এরআগে অবশ্য বিজেপির শীর্ষ নেতা সায়ন্তন বসু জানিয়েছিলেন, রাজ্যে প্রথম দফার ভোটে আমরা দেখেছিলাম কোচবিহারের পরিস্থিতি। কিভাবে সকাল থেকেই শাসক দল উঠে পড়ে লেগেছিল ভোট লুঠ করতে। দ্বিতীয় দফা ভোটগ্রহণের প্রথম ঘন্টা থেকেই তৃণমূলের দুস্কৃতিরা মানুষকে ভোট দিতে আটকাতে। অনেক জায়গাতে রাজ্য পুলিশ নীরব দর্শক। মানুষ রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা হারিয়েছেন। রাজ্যের ১০০ শতাংশ বুথে এবং ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকাতে কেন্দ্রীয়বাহিনীর প্রয়োজন রয়েছে এটা নির্বাচন কমিশনকে বুঝতে হবে।

পদ্ম শিবিরের সঙ্গে অবশ্য সহমত নন রাজ্যে নিযুক্ত বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে৷ কলকাতায় তিনি জানিয়েছেন বাংলায় দ্বিতীয় দফায় ভোট হয়েছে মোটের উপর শান্তিপূর্ণ৷ কয়েকটি ঘটনা ঘটলেও তা সমাধান করা হয়৷

আরও পড়ুন: মমতা কৃষকদের নামের তালিকা পাঠাননি, বাংলার কৃষকরা টাকা পাননি: রাজনাথ সিং

বিজেপি মনে করছে, ভোট পড়ছে ভালোই৷ তৃণমূলের ভয় উপেক্ষা করেও মানুষ বুথমুখী হয়েছে৷ যা আসলে শাসক বিরোধী ভোট৷ ফলে এদিন মুকুল রায় দাবি করেন, উত্তরবহ্গের যে পাঁচটি আসনে ভোট হয়েছে সবকটাতেই জিতবে বিজেপি৷ কটাক্ষ উড়ে আসতে দেরি হয়নি জোড়াফুল শিবিরের তরফে৷ জলপাইগুড়ির তৃণমূল জেলা সভাপতির দাবি, ‘‘হাসতে হাসতে, ড্যাং ড্যাং করে জিতবে তৃণমূল৷’’ কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তাঁর টিপ্পনি, ‘‘জামাই আদর হয়েছে ভালোই৷’’