কলকাতাঃ  অবশেষে বিজেপিতে বড়সড় পদ পেলেন মুকুল রায়। দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি করা হল বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদকে। বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট।

আর ভোটের আগেই জাতীয় রাজনীতিতে ‘প্রমোশন’ তৃণমূলের প্রাক্তন চাণক্যের। আর এই খবর আশার পরেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন মুকুল রায়। সাংবাদিক বৈঠক থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানাতে ভুললেন না তিনি।

মুকুল রায় এদিন বলেন, সামনেই একাধিক রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে ক্ষমতা দখলে দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করব। মুকুল বলেন, আমি দিল্লির ভোটার হলেও পশ্চিমবঙ্গে আমার বেড়ে ওঠা। ফলে সামনের ভোট বড় চ্যালেঞ্জ আমার কাছে।

একই সঙ্গে তাঁর পদ পাওয়া প্রসঙ্গে বলেন, ‘ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর সব থেকে বড় রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির সহকারী সংগঠন মন্ত্রী শিবপ্রকাশ জির কাছ থেকে আমি খবর পেয়েছি, আমাকে দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডাজি আমাকে তাঁর কোর টিমের সদস্য করেছেন। স্বাভাবিক ভাবেই নড্ডাজিকে আমি প্রণাম জানাই।’।

এরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানান মুকুল রায়। একই সঙ্গে জানান তাঁর প্রণামও। বলেন, ‘একই সঙ্গে আমি প্রণাম জানাই ভারতবর্ষের প্রাণপুরুষ তথা এই মুহূর্তে ভারতীয় জনতা পার্টির তথা গোটা পৃথিবীর সব চেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদীকে। তাঁর বিরল ব্যক্তিত্বের জন্য তাঁকে আমি নমস্কার জানাই।‘

পদ পাওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুকুল রায়। তিনি বলেন, ‘ভারতবর্ষের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, যাঁর সভাপতিত্বে ভারতীয় জনতা পার্টির সব থেকে শ্রীবৃদ্ধি হয়েছে, সেই অমিত ভাই শাহজিকে আমি আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে প্রণাম করি। তাঁর নেতৃত্বে বিজেপি যে ভাবে এগিয়েছে নড্ডাজির নেতৃত্বেও আমরা যেন তেমন ভাবে এগোতে পারি।‘

অন্যদিকে, মুকুল রায়কে দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি করার পাশাপাশি তাঁর স্নেহভাজন বিজেপির তরুণ নেতা অনুপম হাজরাকেও দলের সর্বভারতীয় সম্পাদক পদে দায়িত্ব দিয়েছে দল।

সর্বভারতীয় স্তরে এই দায়িত্ব পেয়ে স্বভাবতই খুশি অনুপম। ফোনে Kolkata24x7-কে তিনি বললেন, ‘‘তৃণমূলকে নির্মূল করাই আসল লক্ষ্য, সেই লক্ষ্যে যেন পৌঁছতে পারি’’।

এদিন দলের সর্বভারতীয় সম্পাদকের পদের দায়িত্ব পেয়ে স্বভাবতই শীর্ষ নেতৃত্বকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপির তরুণ নেতা অনুপম হাজরা। বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ অনুপম ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে যাদবপুর থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন।

ফোনে Kolkata24x7-কে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় অনুপম বলেছেন, ‘‘তৃণমূলকে নির্মূল করাই আমাদের আসল লক্ষ্য, সেই লক্ষ্যে যেন পৌঁছতে পারি। যে গুরুদায়িত্ব দল দিয়েছে তা অক্ষরে-অক্ষরে পালন করব।’’

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।