নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: মুকুল-সিপিএম নেতা বৈঠকের অভিযোগে রণক্ষেত্র নাগেরবাজার৷ জানা গিয়েছে নাগেরবাজারের এক গেস্ট হাউসের বাইরে এই বিক্ষোভ শুরু হয়৷ অভিযোগ গাড়িতে করে টাকাও এসেছে৷ দুই নেতার গাড়িতেই ভাঙচুর চলে৷

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে৷ রাস্তা ফাঁকা করার কাজ চলছে৷ পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তিও হয়, এবং এই ঘটনায় ৫ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷

ঘটনাস্থলে মুকুল রায় আটকে রয়েছেন এবং শমীক ভট্টাচার্যের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর৷ এই ধস্তাধস্তিতে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা রয়েছে বলে অভিযোগ৷

পড়ুন: ‘ডিজেল’ ঢেলে চাবি ঘোরাব, দেশের অর্থব্যবস্থা চালু হয়ে যাবে: রাহুল

তবে অন্যান্য সূত্রে খবর, শমীক ভট্টাচার্য দলীয় বৈঠক করছিলেন৷ কিন্তু ওই বৈঠকে মুকুল রায় এবং এক সিপিএম নেতা রয়েছেন বলে খবর, যদিও তা এখনও স্পষ্ট নয়৷ তবে সেখানে একটি গোপন বৈঠক চলছিল বলে অভিযোগ ওঠে৷ যশোর রোডে তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে৷ আরও অভিযোগ, গোপন কোনও আঁতাতের কারণেই বিপুলি পরিমাণ টাকা আনা হয়েছে দুটি গাড়িতে৷

এরপরেই গেস্ট হাউসের সামনে ওই দুটি গাড়ি ভাঙচুর চলে৷ শুরু হয় ধস্তাধস্তি৷ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে কেন্দ্রীয়বাহিনী৷ এই বিষয়ে বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমকে ফোনে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘মুকুল রায় সিপিএমের প্রাক্তন নেতা পল্টু দাশগুপ্ত এবং শমীক ভট্টাচার্য বৈঠক করছিলেন৷ টাকার লেনদেন করছিলেন৷ সিমপ্যাথি ড্র করার খেলায় নেমেছে৷ টাকার ডিল হচ্ছিল৷ ছেলেদের বলেছিল, পুলিশকে জানাও, নির্বাচন কমিশন বিষয়টি দেখবে৷ ওই বিক্ষোভে তৃণমূলের কর্মীরা নেই৷ বিজেপির কর্মীদের ডেকেই নিজেদেরই গাড়ি ভাঙচুর করিয়েছে৷ বিদ্যাসাগর কাণ্ডের পর এই সিমপ্যাথি ড্র করার খেলা চলছে৷ মুকুল রায় গল্প তৈরি করার মাস্টার৷ তিনি গল্প তৈরি করছেন৷’