ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাম নিয়ে রাজনীতি ভারতে নতুন কিছু নয়। গোবলয়ে যা দীর্ঘ দিন ধরেই চলে আসছে। সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে যা প্রভাব ফেলেছে বঙ্গভূমিতে।

রামের নামে নির্বাচনে লড়াই করেছে বিজেপি। আবার জয় শ্রী রাম স্লোগান শুনে চটে গিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা। ভোটের আগে চন্দ্রকোনাতে মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে কয়েকজন জয় শ্রী রাম স্লোগান দেয়। বেজায় চটে গিয়ে গাড়ি থেকে নেমে যান মমতা। স্লোগান দেওয়া তিন ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।

আরও পড়ুন- ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগানের বিরুদ্ধে ফেসবুকে ক্ষোভ উগরে দিলেন মমতা

কসভা ভোটের পরে এই একই ছবি দেখা গিয়েছে ভাটপাড়া এবং কাঁকিনাড়া এলাকায়। এক্ষেত্রেও গাড়ি থেকে নেমে একই ভঙ্গিমায় ছুটে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। ভাটপাড়ার ঘটনায় দশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জয় শ্রী রাম বলার ‘অপরাধে’ গ্রেফতার হওয়া নিয়ে হয়েছে তীব্র বিতর্ক। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে।

সোমবার এই বিষয়টি নিয়েই মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। এদিন সল্টলেকে লোকনাথ পুজোর একটি অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মুকুলবাবু। সেখানে জয় শ্রী রাম স্লোগান ঘিরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, “পাড়ার খেনতি বুড়ির মতন যদি ব্যবহার করে কেউ। পাড়ায় একজন খেনতি বুড়ি আছে। তাকে পাড়ার লোকজন দেখে যদি বলে এই খেনতি, সে ক্ষেপে গেল, একটু এগোতে ফের বলল খেনতি।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিশ্চয়ই ইরেটিভ মহিলা নন। বন্দ্যোপাধ্যায় তো আর খেনতি বুড়ি নন। তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।” এদিন মুকুল রায়ের মুখে জয় মা কালী এবং জয় শ্রী রাম স্লোগানও শোনা গিয়েছে।

আরও পড়ুন- ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা ১০লক্ষ পোস্ট কার্ড মমতাকে পাঠাবে বিজেপি

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের আসন সংখ্যা ৩৪ থেকে ২২ হয়ে যাওয়ার জন্য ইভিএম কারচুপির অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে তৃণমূলনেত্রীকে পালটা আক্রমণ করে মুকুল রায় বলেছেন, “এই ইভিএমে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, লোকসভা ভোটে জিতেছেন। এই ইভিএমে ২০১৬ সালে জিতেছেন। জিতলে ইভিএম ভালো আর খারাপ ফল হলে ইভিএম খারাপ।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.