নয়াদিল্লিঃ  অবশেষে বিজেপিতে বড়সড় পদ পেলেন মুকুল রায়। দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি করা হল বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদকে।

মুকুল রায় ছাড়াও বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি পদে নিযুক্ত হলেন ছত্তীসগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং, রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া, ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রঘুবর দাস-সহ মোট ১২ জন। সেই সঙ্গে বড় পদ পেয়েছেন অনুপম হাজরাও।

পড়ুন আরও- BREAKING: বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হলেন মুকুল রায়

তাঁকে দেওয়া হয়েছে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ। অনুপমও মুকুলের হাত ধরেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এছাড়াও জাতীয় মুখপাত্র প্যানেলে রাখা হয়েছে দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু সিং বিস্তাকে।

মাঝখান থেকে বাদ পড়লেন রাহুল সিনহা। যিনি কিনা এতদিন দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক ছিলেন। নতুন কমিটিতে তিনি কোনও পদ পাননি।

মুকুল রায় গুরু দায়িত্বে
মুকুল রায় গুরু দায়িত্বে

জল্পনাটা চলছিল বহুদিন ধরেই। এমনকী মুকুল রায় নিজেও ফের জাতীয়স্তরের রাজনীতিতে নিজের জায়গা ফিরে পেতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেও রাজ্য বিজেপির সঙ্গে মুকুলের দূরত্ব বাড়ছিল। মুকুল রায় নিজে মুখে একথা স্বীকার না করলেও রাজনৈতিক মহলে কান পাতলে একথা প্রায়ই শোনা যাচ্ছিল।

দুঁদে এই রাজনীতিবিদ বরাবরই মোদী-শাহদের আস্থাভাজন। অমিত শাহ নিজে পছন্দ করেন মুকুল রায়কে। গত কয়েকদিন আগে দিলীপকে পাশে রেখেই কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেন, আগামী ২০২১ সালে মুকুল রায়ই একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে পারবেন। স্পষ্ট ছিল মুকুলের উপরে যে আস্থা রাখছে বিজেপি।

অন্যদিকে, অনুপমকে বিজেপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। মুকুলের হাত ধরেই বিজেপিতে যোগ দিয়ে ছিলেন। সেই সময় বোলপুরের সাংসদ ছিলেন। গত লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থীও করে বিজেপি। কিন্তু মিমি চক্রবর্তীর কাছে বিরাট ব্যবধানে হারতে হয় তাঁকে।

তারপর থেকে ততটা সক্রিয় ছিলেন না দলে। কিন্তু সম্প্রতি বিজেপির যুব মোর্চার অন্যতম বড় পদ দেওয়া হয় তাঁকে। আর সেই পদ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসেছেন অনুপম। যুব নেতৃত্বকে চাঙ্গা করতে জেলা সফরে বেরিয়েছেন। আর সেখানেই তাঁর কাছে এই সুখবর আসে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।