ঢাকা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তিবাদী লেখক অভিজিৎ রায় খুনের মামলার রায়দান হবে। এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছে আদালত। ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।

বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায়কে ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে অমর একুশে গ্রন্থমেলার বাইরেই কুপিয়ে খুন করা হয়। হামলায় গুরুতর জখম হন তাঁর স্ত্রী রফিদা আহমেদ বন্যা। প্রকাশ্যে গোঁড়া ইসলামিক আদর্শে চলা গোষ্ঠী এই খুন সংঘটিত করেছিল। পরে হামলার দায় নেয় আহসারুল্লাহ বাংলা টিম সংগঠন।

অভিজিৎ রায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। ফলে তাঁর খুনের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল ওয়াশিংটন। বহুল প্রচলিত  মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতার সুবাদে অভিজিৎ রায় খুনের ঘটনায় তীব্র আলোড়ন ছড়ায় বিশ্বজুড়ে।

ভিড়ে ঠাসা বইমেলা প্রাঙ্গন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এই খুন হলেও কেউ বাধা দিতে আসেনি। অভিজিৎ কে বাঁচাতে গিয়ে মারাত্মক জখম হন রফিদা বন্যা। তাঁর রক্তাক্ত ছবি বিশ্ব জুড়ে আলোড়ন ফেলে দেয়। এই ঘটনায় অভিজিতের বাবা অধ্যাপক অজয় রায় ২০১৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় মামলা করেন।

অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ঢাকা মহানগর পুলিশকে সাহায্য  করতে এসেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। চাঞ্চল্যকর এই খুনে জড়িত সন্দেহে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা সবাই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য বলে দাবি করেছে ঢাকা পুলিশ।

হামলার পরিকল্পনা ও সরাসরি খুনে জড়িত থাকা ছয় আসামি মেজর জিয়া (পলাতক), আবু সিদ্দিক সোহেল, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, আরাফাত রহমান, শফিউর রহমান ফারাবি ও আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে হাসিবুল ওরফে আব্দুল্লাহ। এছাড়া এই মামলায় ১৫ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.