নয়াদিল্লি: পাপ্পু থেকে গাপ্পু হয়েছে রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস সভাপতিকে এই ভাষাতেই আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি। সেই সঙ্গে আরও জানালেন যে দুর্নীতিতে নিমজ্জিত কংগ্রেস শুধু দুর্নীতিই দেখতে পায়।

সম্প্রতি মোদী সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সরব হয়েছেন রাহুল গান্ধী। ফ্রান্সের সঙ্গে রাফায়েল চুক্তির পিছনে বড় দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাহুল। একই সঙ্গে নোট বাতিলের কুফল নিয়েও সরব হয়েছেন মোদীর বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন- শাসকের চাপ বাড়িয়ে সীমান্ত এলাকায় বাড়ছে বিজেপি

এই নিয়েই বিরোধী কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতিকে আক্রমণ করেছেন মন্ত্রী মুখতার। ব্যাঙ্গের সুরে তিনি বলেছেন অযৌক্তিক কথা বলছেন রাহুল গান্ধী। তাঁর কথায়, “যে ব্যক্তি মিথ্যের উপরে দাঁড়িয়ে পাপ্পু থেকে গাপ্পু হয়েছে সে অযৌক্তিক কথা বলবেই।”

আরও পড়ুন- মশাবাহিত রোগ রুখতে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন আনল পুরসভা

একই সঙ্গে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস এবং ওই দলের শাসনকালকেও কটাক্ষ করেছেন দেশের সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি। তিনি বলেছেন, “দেশের সব ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কংগ্রেস। দুর্নীতিতে নিমজ্জিত কংগ্রেস শুধু দুর্নীতিই দেখতে পায়। দেশের উন্নতি তাঁদের চোখে পড়ে না।”

রাহুল গান্ধীর নামের সঙ্গে পাপ্পু সর্বনাম অনেক আগেই যুক্ত হয়েছিল। এই নিয়ে বিতর্কও হয়েছে অনেক। মোদী সরকারের মন্ত্রীর মুখে শোনা গেল কংগ্রেস সভাপতির নয়া ডাক নাম ‘গাপ্পু’। গসিপ থেকে এই নামকরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি।

আরও পড়ুন- মহার্ঘভাতা আইনি অধিকার, বলল হাইকোর্ট

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।