মুম্বই: এ যেন কারো পৌষমাস আর অন্যদের সর্বনাশ। করোনা সংকট তথা লকডাউনের জেরে যেখানে বেশির ভাগ মানুষ চরম আর্থিক দুর্দশায় রয়েছেন সেখানে আর্থিক দিক থেকে ফুলে-ফেঁপে উঠেছেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি। করোনা যাতে না ছড়ায় তার জন্য লকডাউন জারি করা হয়েছিল।

লকডাউনের জেরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল প্রায় সবরকম আর্থিক কার্যকলাপ। কাজ হারিয়ে চরম দূর্দশার মানুষ। ঠিক এই লকডাউনের সময় দেখা যাচ্ছে মুকেশ আম্বানির ব্যক্তিগত আয় হয়েছে প্রতি ঘন্টায় ৯০ কোটি টাকা।

আইআইএফএল ওয়েলথ হারুন ইন্ডিয়ার রিচ লিস্ট, ২০২০ বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে গত নয় বছর ধরে দেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির স্থান দখল করে আছেন মুকেশ আম্বানি। গত এক বছরে তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি ২,৭৭,৭০০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬,৫৮,৪০০ কোটি টাকা।

তবে এটা ঘটনা মুকেশ আম্বানি যখন এমনভাবে ফুলেফেঁপে উঠছেন তখন চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন তার ছোট ভাই অনিল আম্বানি। তাঁর ব্যবসার ভরাডুবির জন্য এখন নাকি বউয়ের গয়না বেচে মামলা চালাতে বাধ্য হচ্ছেন বলে সম্প্রতি অনিল দাবি করেছেন।

এদিকে,ওই রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে মুকেশ আম্বানির তেল থেকে টেলিকম নানা ক্ষেত্রে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের নানা সংস্থার কর্তা থাকার সুবাদে গত ১২ মাসে তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে ৭৩ শতাংশ। এর ফলে তিনি এশিয়ার প্রথম এবং বিশ্বের চতুর্থ ধনী হয়ে উঠেছেন।

এই হারুন ইন্ডিয়া তালিকা অনুসারে ১০০০ কোটি টাকা বা তার বেশি সম্পত্তির মালিক এমন ভারতীয়ের সংখ্যা ৮২৮ জন। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন লন্ডন নিবাসী হিন্দুজা ভাইরা। তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে এইচসিএল এর কর্তা শিব নাদার এবং গৌতম আদানি ও তার পরিবার।পাঁচ নম্বর স্থানে রয়েছেন উইপ্রো কর্তা আজিম প্রেমজি।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।