নয়াদিল্লি: বেড়েছে সম্পত্তির পরিমাণ। একধাক্কায় কয়েক ধাপ এগিয়ে এলেন রিলায়েন্সের কর্ণধার মুকেশ অম্বানি। সদ্য প্রকাশিত ফোর্বসের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় ছয় ধাপ এগিয়ে বিশ্বের মধ্যে ১৩ নম্বর স্থানে রয়েছেন তিনি। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৫০ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ কোটি।

তালিকায় এক নম্বর স্থানে রয়েছেন আমাজনের কর্ণধার জেফ বেজোস। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ১৩১ বিলিয়ন ডলার।

২০১৯-এর ফোর্বস তালিকা অনুযায়ী, ২০১৮-তে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৪০.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি ছিলেন ১৯ তম স্থানে। সেখান থেকে সম্পত্তি বেড়েছে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।

ফোবর্স অম্বানি সম্পর্কে বলেছে, ‘মুকেশ অম্বানি ৬০ বিলিয়ন ডলার রেভিনিউ পাওয়া রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির মালিক। ২০১৬-তে টেলিকম মার্কেটে আলোড়ন ফেলে দিয়ে জিও 4G ফোন সার্ভিস শুরু করেন তিনি। জিও ইতিমধ্যেই ২৮০ গ্রাহক পেরিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে পত্রিকায়।’

ভারতীয় হিসেবে ওই তালিকায় অম্বানির পর রয়েছেন উইপ্রো চেয়ারম্যান আজিম প্রেমজি। বিশ্বে ৩৬ নম্বর স্থানে রয়েছেন তিনি। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এছাড়াও ভারতীয়দের মধ্যে ফোর্বসের তালিকায় রয়েছেন আদিত্য বিড়লা গ্রুপের চেয়ারম্যান কুমার বিড়লা, আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি, ভারতীয় এয়ারটেলের কর্তা সুনিল মিত্তল ও পতঞ্জলির সহ প্রতিষ্ঠাতা আচার্য বালকৃষ্ণ।

তালিকায় তিনটি স্থান পিছিয়ে আট নম্বরে রয়েছেন ফেসবুক কর্তা মার্ক জুকারবার্গ। বিল গেটস রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।