কলকাতা: বাংলাদেশের পাশাপাশি কলকাতাতেও পালিত হল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ। অনুষ্ঠানের আয়োজক বাংলাদেশ উপহাইকমিশন। উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনের কর্মকর্তারা। মঙ্গলবার সকালে উপহাইকমিশন ভবনে এই উপলক্ষে কেক কাটা হয়।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতা উপহাইকমিশন তিন দিন ধরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেও পরে করোনা আতঙ্কের জেরে অনুষ্ঠানসূচি ও স্থান পরিবর্তন করা হয়। তিন দিনের অনুষ্ঠান এক দিনে করার সিদ্ধান্ত নেয় হাই কমিশন।

রবীন্দ্রসদনের পরিবর্তে উপহাইকমিশন চত্বরে স্বল্প পরিসরে পালিত হয় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ। উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়, উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান সহ আরও অনেকে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বিধানসভায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন বিধায়কেরা। মমতার মতে, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমির জন্য বঙ্গবন্ধু যে লড়াই করেছেন তা আজও জাতির অনুপ্রেরণা।

১৯৪২ সালে কলকাতার মৌলানা আজাদ কলেজে পড়ার সময় বঙ্গবন্ধু বেকার হোস্টেলের আবাসিক ছিলেন। এদিন বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিকক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান বিশিষ্টরা। সেই সময় মৌলানা আজাদ কলেজের নাম ছিল ইসলামিয়া কলেজ। এখানে দু’বছর কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক ছিলন শেখ মুজিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ব্যান্ড ‘জলের গান’-এর উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার জেরে তারা আসতে পারেননি। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি থিম সঙের উদ্বোধন হয়। তাতে গলা মিলিয়েছেন অনুপম, রূপঙ্কর, ইমন, সোমলতা, সৈকত মিত্র, আকাশ এবং জোজো। ‘আলোর পথের দিশারি তুমি’ গানটি লিখেছেন প্রিয় চট্টোপাধ্যায় এবং সুর দিয়েছেন অশোক ভদ্র।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।