ঢাকা: চেতন ভগতের গল্প নিয়েই আমিরের ‘থ্রি ইডিয়টস’। কিন্তু সেই গল্পে ছিল একটা ট্যুইস্ট। লাদাখের বুকে অভিনব কায়দায় পড়াশোনা শেখাতেন ‘র‍্যাঞ্চো’। সিনেমার শেষে জানা যায়, তাঁর নাম ফুংসুখ ওয়াংড়ু। আদতেই সেই লাদাখে রয়েছেন ফুংসুখ ওয়াংড়ু। বাস্তবে যাঁর নাম সোনম ওয়াংচুক।

সম্প্রতি, সেই সোনম ওয়াংচুক এসেছিলেন ঢাকায়। সেখানেই দেখা হয়েছে মিথার সঙ্গে। ব্যস্ত শিডিউলের মাঝে ২ ঘন্টার জন্য মিথিলাদের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি।

ঢাকা আর্ট সামিটের আমন্ত্রণে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন। তখনই তিনি ‘ব্রাক’কে মেলে জানান, এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে তিনি জানতে চান, আলাপ করতে চান। ব্রাকের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে কাজ করেন মিথিলা। তাঁরাও নিজেদের সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে একটি সময় জানান। তাই সোনম ওয়াংচুক ঢাকা এসে ঘুরে দেখেন এই প্রতিষ্ঠান।

সোনমের সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করেছেন মিথিলা। তিনি লিখেছেন, সোনম ওয়াংচুকের থেকে অনেক কিছু শিখলেন অল্প সময়েই। ‘ব্র্যাক’ যে ‘প্লে লাভ মডেল’ বা খেলার মাধ্যমে শেখানোর ব্যাপারে জোর দেয়, সেটা শুনে উনি খুবই উচ্ছ্বসিত। জানালেন, তাঁর স্কুলেও তিনি অনেকটা একইভাবে শেখান বা নতুন নতুন জিনিস বানান। সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন মিথিলা।

লাদাখের শিক্ষায় বিপ্লব ঘটানো ওই শিক্ষক ঢাকায় এসে বলেন, ‘বড় বড় শহরের মানুষের জীবনাচরণ বদলাতে হবে। গাড়ির বদলে সাইকেলে চড়া, বিমানের বদলে রেলগাড়ি এবং সবজিভোজী হলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। মুম্বই, নিউইয়র্ক, ঢাকার মতো বড় বড় শহরের লোকেরা সাধারণ জীবন যাপন করলে আমরা পর্বত ও সমুদ্রতীরের মানুষেরা ভালোভাবে বাঁচতে পারব।’

‘স্টুডেন্টস এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল মুভমেন্ট অব লাদাখ’ নামের একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন সোনম ওয়াংচুক। পরিবেশের ক্ষতি হতে পারে, এমন কিছুই নেই সেই স্কুলে। অদ্ভুত সেই স্কুলে পড়ার যোগ্যতা ‘ম্যাট্রিক ফেল’।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও