জাকার্তা: রবিবার ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা টেংগারা প্রদেশে জেগে উঠল একটি আগ্নেয়গিরি। কালো ধোঁয়া ও ছাইয়ে ঢেকে যায় স্থানীয় অঞ্চল। চার কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত আকাশ ধোঁয়া ও ছাইয়ের ফলে কালো হয়ে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। দুর্যোগের মধ্যে প্রায় ২৭০০ এরও বেশি বাসিন্দাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সে দেশের দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা।

ইন্দোনেশিয়ায় অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় অনেক বেশি আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এদেশে প্রায় ১৩০ টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে।

আরও পড়ুন – কৃষক আন্দোলন নিয়ে বিরূপ মন্তব্য কঙ্গনা রানাউতের, অভিনেত্রীর ওপর বেজায় চটেছেন নেটিজেনরা

এক সংস্থার মুখপাত্র রাদিত্য জাতি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, লেওটোলক আগ্নেয়গিরি থেকে এই অগ্নুৎপাত ঘটে। ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে প্রায় ২,৬০০ কিলোমিটার পূর্বে এই ঘটনায় সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে ব্যাপক আতঙ্কের সঞ্চার হয়।

তিনি জানিয়েছেন, অগ্নুৎপাতের জেরে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ২৬ টি গ্রাম থেকে প্রায় ২৭৮০ মানুষকে সরানো হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন – পরিস্থিতি সংকটজনক, কৃষক বিক্ষোভ নিয়ে দিল্লিতে হেভিওয়েট মন্ত্রীদের বৈঠক

১৭ বছর বয়সী মুহাম্মদ ইলহাম, যে কিনা এই অগ্নুৎপাতের প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, আশেপাশের বাসিন্দারা “আতঙ্কিত এবং তারা এখনও আশ্রয় খুঁজছেন । একই সঙ্গে টাকা পয়সারও প্রয়োজন।

ইন্দোনেশিয়ার ভলক্যানোলজি অ্যান্ড জিওলজিক্যাল কেন্দ্র জানিয়েছে, আগ্নেয়গিরির নিকটবর্তী অঞ্চল লাভা প্রবাহ, লাভা স্রোত এবং বিষাক্ত গ্যাসে পরিপূর্ণ হয়ে যেতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।