মুম্বই: যা পরিস্থিতি তাতে ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি শিল্প একেবারে ভেঙে পড়তে পারে। করোনা সংকটের ফলে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি লক্ষ্য করে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ী। এইসব সংস্থাগুলির বকেয়া পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার গাড়ি শিল্পের সংগঠন সিয়ামের সঙ্গে বর্তমান আর্থিকপরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেই সময় তিনি গাড়ি শিল্পের সমস্যা পাশাপাশি ছোট মাঝারি শিল্পের সংকটে প্রসঙ্গ তোলেন। আর তারই রেশ ধরে সেখানে তিনি বড় বড় গাড়ি শিল্পের প্রতিনিধিদের কাছে আর্জি জানান, ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি সংস্থাগুলির আর্থিক দুরবস্থা চিন্তা করে অবিলম্বে তাদের বকেয়া পাওনা এক মাসের মধ্যে দিয়ে দিতে।

তবে ঘটনা হল গাড়ি শিল্প বর্তমানে চরম সংকটের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। ফলে তারা ইতিমধ্যেই ‌ সরকারের কাছে প্যাকেজের আর্জি জানিয়েছে। পাশাপাশি তাদের অভিযোগ, এই পরিস্থিতিতেও তাদের সঙ্গে যুক্ত থাকা ছোট মাঝারি সংস্থাগুলির বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ছোট মাঝারি সংস্থাগুলির দুরবস্থার কারণ সরকারি সংস্থা গুলি বরং এদের বকেয়া পাওনা মেটাচ্ছে না। তখন সেখানে মহিন্দ্র অ্যান্ড মহিন্দ্র-র কর্তা পবন ‌ গোয়েঙ্কা এবং সিআইআই সভাপতি বিক্রম কিলোস্কার দাবি করেন, তারা তাদের সহযোগী ডিলার এবং যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী ছোট ছোট সংস্থার বকেয়া মিটিয়ে‌ দিয়েছেন। বরং সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা গুলি‌ এদের পাওনা মেটায়নি।

এদিকে গড়কড়ী তাদের আশ্বাস দিয়েছেন, বকেয়া সুদের ‌ একাংশ মেটাতে বিশেষ তহবিল গড়ার জন্য অর্থ মন্ত্রকের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। এর ফলে ছোট ছোট শিল্পের কার্যকরী মূলধন সমস্যা মিটতে পারে। এদিকে গাড়ি শিল্পের কর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, যা পরিস্থিতি তাতে লকডাউন উঠলেও ‌ শেষমেষ কতজন গাড়ি কিনতে শোরুমে পা দেবেন। তাই এই শিল্পের কর্তারা জিএসটি হ্রাসের পাশাপাশি পুরনো গাড়ি বাতিলের জন্য আর্থিক সুবিধা চালু করার জন্য আর্জি জানান।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ