চেন্নাই: গত বছর এ সময়ও তিনি ভারতীয় দলের প্রাক্তন হননি৷ কিন্তু স্বাধীনতা দিবসের দিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই জানান মহেন্দ্র সিং ধোনি৷ তাই এখন আইপিএল ছাড়া বাইশ গজে কোনও লক্ষ্য নেই মাহির৷ ভারত যখন আমদাবাদে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজেরে টেস্ট খেলছে, তখন আইপিএলের প্রস্তুতির জন্য চেন্নাই পৌঁছে গেলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক৷

গত বছরের মতো এবারও আইপিএলের প্রথম দল হিসেবে প্রস্তুতি শুরু করতে চলেছে চেন্নাই সুপার কিংস৷ ১১ মার্চ থেকে চিপকে অনুশীলনে নামবেন ধোনি-সহ প্রথম সারির বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার৷ দু’দিন আগেই এমনটা জানিয়েছিল সিএসকে৷ সেই মতো বুধবারই চেন্নাই পৌঁছে গেলন সুপার কিংস ক্যাপ্টেন ধোনি৷ তিনবারের চ্যাম্পিয়ন অধিনায়কের শহরে পৌঁছনোর ছবি টুইটার পোস্ট করে সিএসকে৷

সিএসকে-র তরফে ধোনির ছবি পোস্ট করে লেখা হয়, “Thalai-Vaa! Smile with the Mass(k) on! Super Night! #DenComing #WhistlePodu #Yellove.” চেন্নাই বিমান বন্দরে সাদা টি-শার্ট ও ফেস মাস্ক পরা ধোনি হোটেলের পথে রওনা দেন৷ তবে ক্যাপ্টেনের আগে শহরে পৌঁছে যান সিএসকে-র টপ-অর্ডার ব্যাটসম্যান অম্বাতি রায়ডু৷ তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ঘরোয়া ক্রিকেটের কয়কেজন তারকা৷

আইপিএলে মাঠে নামার আগে ঝাড়খণ্ডের জাগ্রত দেওরি মন্দিরে পুজো দেন চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক৷ গত শুক্রবার বন্ধুদের সঙ্গে এই মন্দিরে পুজো দেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক৷ একেবারে রীতি মেনে জবাফুলের মালা দিয়ে মায়ের পুজো দেন মাহি৷ ধোনির মাতৃ আরাধনা যাতে নির্বিঘ্নে হয় তার জন্য নিরাপত্তার বেষ্টনী ছিল চোখে পড়ার মতো৷ তবে ধোনির আসার খবরে প্রচুর মানুষ নিরাপত্তাবেষ্টনীর বাইরে থেকে প্রিয় তারকার ছবি মোবাইলবন্দি করার চেষ্টা করেন৷ এবার ধোনির মাঠে ফেরার পালা৷

বিসিসিআই-এর তরফে এখনও চতুর্দশ আইপিএলের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়নি৷ তবে শোনা যাচ্ছে, আইপিএলের চতুর্দশ সংস্করণ শুরু হবে এপ্রিলে৷ বোর্ডের দিন ঘোষণার আগেই প্রস্তুতির দিন ঠিক করে ফেলল ধোনির ফ্র্যাঞ্চাইজি সিএসকে৷ ১১ মার্চ থেকে অনুশীলন শুরু করতে চলেছে সুপার কিংস। প্রথমদিন থেকেই ধোনি-সহ প্রথম সারির বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের অনুশীলনে যোগ দেওয়ার কথা৷ তবে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছেন এমন ক্রিকেটারদের বাদ দিয়েই শুরু হতে চলেছে সিএসকে-র অনুশীলন পর্ব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।