নয়াদিল্লি: সচরাচর আবেগের বহিঃপ্রকাশ দেখা যায় না তাঁর শরীরি ভাষায়৷ কঠিন ও উত্তেজক পরিস্থিতিতেও মাথা ঠাণ্ডা রেখে সিদ্ধান্ত নেন৷ যে কারণে ক্রকেটবিশ্ব মহেন্দ্র সিং ধোনিকে চেনে ক্যাপ্টেন কুল নামে৷ বাইরের ছবিটা যাই হোক না কেন, ভিতরে ভিতরে আবেগ যে ধোনির মধ্যে প্রভাব ফেলে না, এমনটা নয়৷ আসলে ধোনি নিজেই জানালেন তাঁর এমন ঠাণ্ডা মাথার রহস্য৷ তিনি বলেন, বাকিদের থেকে তাঁর আবেগে নিয়ন্ত্রণ রাখার ক্ষমতা বোধহয় বেশি৷

ধোনি আরও বলেন, বাকিদের মতোই তিনিও হতাশ হন৷ সবার মতো তাঁরও রাগ হয়৷ তবে তাৎকক্ষণিক এই আবেগগুলো গঠনমূলক নয়৷ তাই চেষ্টা করেন সব সময় নিজেকে ইতিবাচক রাখতে৷

আরও পড়ুন: প্রথম বৈঠকেই নির্বাচকদের সঙ্গে ধোনির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করবেন সৌরভ

ধোনির কথায়, ‘আমিও বাকিদের মতোই৷ তবে আমার আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা বাকি অনেকের থেকে বেশি৷ এটুকু বলতে পারি যে, আমিও একই রকম হতাশা অনুভব করি৷ শুধু হতাই হই এমনটা নয়, রাগও হস আর সবার মতো৷ তবে এই আবেগ অনুভূতিগুলোর কোনওটাই ইতিবাচক নয়৷ তাই এগুলো প্রকাশ না করাই শ্রেয়৷’

মাহি আরও বলেন, ‘মাঠে অযথা আবেগ না দেখিয়ে যথাযথ পরিকল্পনা করাই করণীয় মনে হয় আমার৷ সেই পরিস্থিতিতে কাকে কীভাবে ব্যবহার করা যায়, কীভাবে নিজেদের প্রয়োগ করা যায়, সেটা ভাবাই উচিত বলে মনে করি সবসময়৷’

আরও পড়ুন: সৌরভের বিসিসিআই সভাপতি হওয়াকে যথাযথ বলছেন পাক তারকা

শেষ ধোনি জানান যে, ফলাফলের থেকেও প্রক্রিয়ায় নজর দেওয়া দরকার৷ তাঁর মতে, ‘টেস্ট ক্রিকেটে দু’টো ইনিংস৷ অনেকটা সময় পাওয়া যায় পরিকল্পনার জন্য৷ ঠিক তেমনই ভুল ভ্রান্তি ঢাকার জন্যও বাড়তি সময় পাওয়া যায়৷ তবে টি-২০ ক্রিকেটে সব কিছু অত্যন্ত দ্রুত ঘটে৷ তাই যা করতে হয় তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিতে হয়৷ এই অবস্থায় ম্যাচ বা সিরিজ জয়ের কথা ভাবার থেকেও সেই পরিস্থিতির দিকে নজর দেওয়াই শ্রেয় মনে হয় আমার৷’