হায়দরাবাদ: দেশের জার্সিতে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন দীর্ঘদিন, ফোকাসে শুধুই সীমিত ওভারের হোয়াইট বল ক্রিকেট৷ ৭ জুলাই ৩৮ শে পা দেবেন, ইংল্যান্ডের মাটিতে পঞ্চাশ ওভারের বিশ্বকাপটাই সেক্ষেত্রে ধোনির কেরিয়ারে সম্ভবত শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট৷ বিশ্বকাপ খেলেই দেশের জার্সি তুলে রাখতে পারেন ভারতের দু’বারের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক৷ এমনটা হলে, বিশ্বকাপের পর আইপিএল খেলবেন কি ধোনি? আনপ্রেডিক্টেবল মাহিকে নিয়ে সেই প্রশ্ন কিন্তু উঠছে৷ মাহি নিজে কী বলছেন?

রবিবার দ্বাদশ আইপিএলের ফাইনাল শেষে পরের মরশুমের সিএসকে এবং ধোনি প্রসঙ্গ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, নিজের খেলা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণীতে ধোঁয়াশা রেখে গেলেন হলুদ আর্মির ‘থালাইভা’

ক্রিকেট দর্শকরা ভালোই জানেন, বরাবরই চমক দিতে পছন্দ করেন মাহি৷ টেস্ট ক্রিকেট যখন ছেড়েছিলেন, সবাইকে অবাক করেই নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন৷ বোর্ডকে ফেয়ারওয়েল ম্যাচ আয়োজনেরও কোনও রকম সুযোগ দেননি কাপ্তান৷ ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ চলার মাঝেই টেস্ট ক্রিকেটকে গুডবাই জানিয়েছিলেন মাহি৷

এরপর ২০১৭ সালে সীমিত ওভারে নেতৃত্ব ছাড়ার সময়ও কাউকে কিছু না জানিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন৷ তাই ধরে নেওয়াই যায়, অবসর ঘোষণার ক্ষেত্রেও কাউকে কিছু না জানিয়েই চমক দেবেন মাহি৷ বিশ্বকাপের পরই কী তবে অবসর? ক্রিকেটমহলে প্রশ্ন কিন্তু ঘোরাফেরা করছে! তাহলে রবিবারই কি সিএসকে’র জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলে ফেললেন? ম্যাচ শেষে মাহির ধোঁয়াশা উত্তরে অনেক প্রশ্নই মাথাচাড়া দিচ্ছে!

পোস্ট ম্যাচ সাক্ষাৎকারে ধোনিকে পরের মরশুমে খেলতে দেখা যাবে কিনা? দ্বাদশ আইপিএলের শেষ দিনে এই প্রশ্নের উত্তরে মাহি বলেন, ‘আশা করি দেখা যাবে’ এর বেশি অবশ্য কোনও শব্দখরচ করেননি চেন্নাইকে তিনবার আইপিএল ট্রফি দেওয়া অধিনায়ক৷

পরে অন্য প্রশ্নে ধোনি আবার বলেছেন, ‘আইপিলের জার্নি শেষ, সামনে ফোকাসে এবার বিশ্বকাপ৷ ইংল্যান্ড থেকে ফিরলে ড্রয়িং বোর্ডে মরশুমের ভুল-ক্রুটি গুলি নিয়ে আলোচনা করতে হবে৷ এবছর ব্যাটিং নিয়ে বারবার সমস্যা হয়েছে, সেক্ষেত্রে পরের মরশুমে দল গঠন নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে৷’

এতেই পরের মরশুমে ধোনির আইপিএল খেলা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ক্রিকেট ফ্যানেরা৷ অনেকেই মনে করছে বয়স ৩৮ হলে, সেক্ষেত্রে ব্যাট তুলে রেখে পরামর্শদাতা হিসেবে পরের মরশুমে দলের সঙ্গে থাকতে পারেন মাহি৷ ধোনি অনুরাগীরা অবশ্য প্রত্যাশা রাখছেন সব জল্পনায় জল ঢেলে পরের মরশুমেও ধ্বনি উঠবে, মাহি মার রাহা হ্যায়!