M.S Dhoni is the highest paid cricketer in IPL
সিএসকে জার্সিতে ধোনি৷

মুম্বই: বুধবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে জয়ের হ্যাটট্রিক করেছে চেন্নাই সুপার কিংস৷ সিএসকে-র ২২০ রান তাড়া করে ২০২ রানে অল-আউট হয়ে যায় কেকেআর৷ ১৯ রানে নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবলে এক নম্বরে উঠে আসে সিএসকে৷ একই সঙ্গে এই ম্যাচে নাইট ওপেনার নীতিশ রানার ক্যাচ নিয়ে মাইলস্টোন পৌঁছন মহেন্দ্র সিং ধোনি৷

প্রথম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে হারলেও পরের তিনটি ম্যাচ জিতে ছন্দে ফিরল তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা৷ এদিন ব্যাট ও বলে নাইটদের টেক্কা দেয় ধোনি অ্যান্ড কোং৷ ব্যাট হাতে ঝোড়ো ১৭ রান করার পাশাপাশি উইকেটকিপিং গ্লাভাস হাতে মাইলস্টোন স্পর্শ করেন সিএসকে অধিনায়ক৷ আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে ১৫০টি শিকার করলেন মাহি৷ এর মধ্যে ১১১টি ক্যাচ এবং ৩৯টি স্টাম্পিং রয়েছে৷

সুপার কিংসের বিরুদ্ধে পাহাড়প্রমাণ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে কেকেআর৷ প্রথম ওভারেই শুভমন গিলের উইকেট হারিয়ে খারাপ শুরু করে কলকাতা৷ কিন্তু গিল দীপক চাহারের বলে লুঙ্গি এনগিদির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন৷ কিন্তু ইনিংসের তৃতীয় ওভারে চাহারের পঞ্চম ডেলিভারিতে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রানা৷ সেই সঙ্গে মাইলস্টোন স্পর্শ করেন মাহি৷

চতুর্দশ আইপিএলে মাঠে নামার আগে এই মাইলস্টোন ছুঁতে ধোনির দরকার ছিল ২টি শিকারের৷ আগের তিনটি ম্যাচ একটি শিকার করেছিলেন৷ এদিন রানাকে আউট করে আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে ১৫০ শিকারের মাইলস্টোন স্পর্শ করলেন ধোনি৷ আইপিএলে উইকেটকিপার হিসেবে শিকারের নিরিখে ধোনির ঠিক পিছনে রয়েছেন কেকেআর-এর দীনেশ কার্তিক৷ তাঁর সংগ্রহে রয়েছে ১৪৩টি শিকার৷ উইকেটের পিছনে ক্যাচ নিয়েছেন ১১২টি এবং স্টাম্পিং ৩১টি৷ তবে ক্যাচ নেওয়ার নিরিখে ধোনির থেকে এগিয়ে রয়েছেন কার্তিক৷

এদিন ধোনি আরও একটি বিরল নজিরের সাক্ষী থাকেন৷ আইপিএলে প্রথমবার সুনীল নারিনের বিরুদ্ধে বাউন্ডারি মারতে সক্ষম হন সিএসকে অধিনায়ক৷ চেন্নাই ইনিংসের ১৭তম ওভারে নারিনকে চার মারেন ধোনির৷ আইপিএলে প্রথমবার৷ ক্যারিবিয়ান স্পিনারের বিরুদ্ধে প্রথম বাউন্ডারি মারতে ধোনির লেগেছে ৬৫টি ডেলিভারি৷ শেষ পর্যন্ত এদিন ৮ বলে একটি ছয়ও দু’টি বাউন্ডারি-সহ ১৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আন্দ্রে রাসেলের শিকার হন ধোনি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.