লেহ: ধোনির হল সারা। টেরিটোরিয়াল আর্মির সঙ্গে সীমান্তরক্ষার কাজে বেঁধে দেওয়া দিন পনেরোর মেয়াদ শেষ। এবার ঘরে ফেরার পালা লেফট্যানেন্ট কর্নেল মহেন্দ্র সিং ধোনির। গত ১৫ অগাস্ট উত্তীর্ন হয়েছে মেয়াদ। শনিবার নয়াদিল্লির বিমান ধরার আগে লেহ বিমানবন্দরে সিকিউরিটি চেকিংয়ের সময় ক্যামেরাবন্দি হলেন মাহি।

বিশ্বকাপের পর সেনার কাছে সীমান্তরক্ষী হিসেবে দেশসেবা করতে চেয়ে ইচ্ছেপ্রকাশ করেছিলেন ধোনি। ধোনির ইচ্ছেকে যথাযোগ্য সম্মান জানিয়ে প্রাক্তন অধিনায়ককে টেরিটোরিয়াল আর্মির ১০৬ টিএ প্যারা ব্যাটেলিয়ন হিসেবে জম্মু-কাশ্মীরে প্রশিক্ষণের বন্দোবস্ত করে দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। উপত্যকায় দু’সপ্তাহ প্রশিক্ষণের শেষে এবার ঘরে ফিরছেন মাহি। উল্লেখ্য, জম্মু-কাশ্মীরে আর্টিকল ৩৭০ রদ হওয়ার পর নতুন ইউনিয়ন টেরিটোরি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা লাদাখে সেনার পোশাকে ৭৩ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক।

১০৬ নম্বর টেরিটোরিয়াল আর্মি ব্যাটেলিয়নের সঙ্গে স্বাধীনতা দিবস সেলিব্রেশন করেন বিশ্বকাপ জয়ী ভারত অধিনায়ক। পতাকা তুলে স্বাধীনতা দিবস সেলিব্রশনের আগে লাদাখের আর্মি হাসপাতালে যান ধোনি। সেখানে ভর্তি জওয়ান ও তাঁদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। ৩১ জুলাই টেরিটরিয়াল আর্মির একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে প্রশিক্ষণে যোগদান করেছিলেন মাহি। যোগ দিয়েই সেনা পোশাকে ব্যাটে অটোগ্রাফ দিতে দেখা গিয়েছিল কর্নেল (সাম্মানিক) ধোনিকে। পাশাপাশি সেনার পোশাকে ভলিবল খেলে ইউনিটের বাকি সদস্যদের উদ্দীপ্ত করেছিলেন মাহি।

সেনার পোশাকে অস্ত্রে সুসজ্জিত হয়ে সীমান্তে পেট্রোলিংয়ের পাশাপশি মেয়াদকালে উরি ও অনন্তনাগ সেক্টরেও ঘুরে আসেন প্রাক্তন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপ পরবর্তী সময়ে দেশ সেবা করতে চেয়েই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের ক্রিকেট থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন মাহি। সেনা প্রশিক্ষণ শেষ করে অবশেষে শনিবার সকালে লেহ বিমানবন্দরে সিকিউরিট চেকিংয়ের সময় ক্যামেরাবন্দি হন মাহি। সূত্রের খবর, নয়াদিল্লি হয়ে রাঁচিতে নিজের বাসভবনে ফিরবেন মাহি।

২০১১ দেশকে বিশ্বকাপ জেতানোর পর ভারতীয় টেরিটোরিয়াল আর্মির তরফে ধোনিকে কর্নেল (সাম্মানিক) পদ প্রদান করা হয়। বছর চারেক পর ২০১৫ আগ্রায় সেনার এয়ারক্র্যাফটের প্রশিক্ষণে পাঁচটি প্যারাশুট জাম্প সম্পূর্ণ করেন মাহি। একই সঙ্গে একজন কোয়ালিফায়েড প্যারাট্রুপার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।