মুম্বই: আইপিএলে ইয়েলো জার্সি ও মহেন্দ্র সিং ধোনি যেন একে অপরের পরিপূরক৷ শুক্রবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে মাইলস্টোন ম্যাচে নামেন ধোনি৷ সিএসকে-এর এদিন ২০০তম ম্যাচ খেলতে নামলেন সুপার কিংস অধিনায়ক৷

আইপিএলের জন্মলগ্ন থেকেই চেন্নাই সুপার কিংসের নেতৃত্বের ব্যাটন ধোনির হাতে৷ মাঝে দু’বছর নির্বাসনের কারণে চেন্নাই সুপার কিংস আইপিএল খেলতে না-পারায় সেই দু’ বছর (২০১৬ ও ২০১৭ আইপিএলে) রাইজিং পুণে সুপারজায়েন্টের হয়ে খেলেছিলেন ধোনি৷ এই সময়টুকু বাদ দিলে ইয়েলো জার্সি মানেই ধোনি৷ সুতরাং তিনি হলেন প্রথম সিএসকে প্লেয়ার, যিনি সুপার কিংসের জার্সিতে ২০০তম ম্যাচ খেললেন৷

আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংস-কে তিনবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করিয়েছেন ধোনি৷ এছাড়াও চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও সিএসকে-কে ট্রফি জিয়েছেন তিনি৷ আইপিএল ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে এদিন ডাবল সেঞ্চুরি করেন ধোনি৷ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ২৪টি ম্যাচে সুপার কিংসের হয়ে মাঠে নেমেছেন মাহি৷ অর্থাৎ আইপিএলে সুপার কিংসের হয়ে ১৭৬টি এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ২৪টি ম্যাচ খেলেন ধোনি৷

একটি মাত্র ম্যাচ ছাড়া চেন্নাই সুপার কিংস-কে প্রতিটি ম্যাচে নেতৃত্বে দিয়েছেন ধোনি৷ ওই একটি ম্যাচে ইয়েলো জার্সি-কে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সুরেশ রায়না৷ যিনি এখন ধোনির ডেপুটি৷ ধোনির নেতৃত্বে তিনবার আইপিএল জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস৷ ২০১০, ২০১১ এবং ২০১৮ সালে আইপিএলে প্রথম ক্যাপ্টেন হিসেবে তিনবার ট্রফি জেতেন মাহি৷ পরে ধোনির এই রেকর্ড ভাঙেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা৷

আইপিএলে সুপার কিংস-কে তিনবার ট্রফি দেওয়ার পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দু’বার খেতাব ধোনির দখলে৷ ২০১০ এবং ২০১৪ সালে ধোনির নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতে চেন্নাই সুপার কিংস৷ রোহিত আইপিএলে সর্বাধিক পাঁচবার ট্রফি জিতলেও সবচেয়ে বেশিবার দলকে ফাইনালে তুলেছেন ধোনি৷ তাঁর নেতৃত্বে চেন্নাই সুপার কিংস সবচেয়ে খারাপ ফল করেছিলেন গত আইপিএলে৷ মরু শহরের আইপিএলে প্লে-অফে উঠতে পারেনি সুপার কিংস৷ আইপিএলের ইতিহাসে প্রথমবার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.