নয়াদিল্লি: নিজের লেখা শেষ বই ‘দ্য প্রেসিডেন্সিয়াল ইয়ারস’-এ কংগ্রেসের ভরাডুবির জন্য সোনিয়া গান্ধী ও মনমোহন সিংকে দায়ী করে গিয়েছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির লেখা শেষ বইটি নতুন বছরের শুরুর দিকেই প্রকাশিত হতে চলেছে। সম্প্রতি ওই বইয়ের কিছু অংশ প্রকাশ্যে এসেছে। প্রণববাবু লিখেছেন, ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে ইউপিএ-২ সরকারের পতনের জন্য দলের তৎকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং দায়ী।

ফের চর্চায় প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। একুশের গোড়াতেই প্রকাশিত হতে চলেছে প্রণব মুখোপাধ্যায়ের লেখা শেষ বই ‘দ্য প্রেসিডেন্সিয়াল ইয়ারস’। সম্প্রতি বইটির কিছু অংশে প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল জাতীয় রাজনীতিতে। ২০০৪ সাল থেকে একটানা কেন্দ্রে ছিল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার। তবে ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে ক‌ংগ্রেসের ভরাডুবি হয়।

প্রণববাবু তাঁর লেখা শেষ বইটিতে লিখেছেন,‘‘কংগ্রেসের অনেক নেতা মনে করেন ২০০৪ সালের প্রথম ইউপিএ সরকারে আমি প্রধানমন্ত্রী হলে ২০১৪ সালে দলের ভরাডুবি হতো না। তবে এই ধরাণার সঙ্গে আমার মত মেলে না।’’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘‘আমার মনে হয় ২০১২ সালে আমি রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর রাজনৈতিক দিশা হারিয়ে ফেলেছিল কংগ্রেস। সোনিয়া গান্ধী দল ঠিক মতো পরিচালনা করতে পারছিলেন না। এছাড়াও সংসদে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং প্রায়ই অনুপস্থিত থাকতেন। সাংসদদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ কমে গিয়েছিল।’’

নিজের লেখা শেষ বইটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও প্রসঙ্গ টেনেছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। সংসদে মনোমহন সিংয়ের অনুপস্থিতির সঙ্গে মোদীর মিল পেয়েছিলেন প্রণববাবু। ‘দ্য প্রেসিডেন্সিয়াল ইয়ারস’-এ প্রণব মুখোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘‘প্রশাসনের কার্যকারিতা, সরকারের দায়িত্বের অনেকটাই প্রধানমন্ত্রীর উপর নির্ভরশীল হয়। মনমোহন সিংয়ের প্রায়ই সংসদে গরহাজিরায় সেই কাজ ব্যাহত হয়। ২০১৪ সালে এনডিএ সরকারেও মোদীর ভূমিকায় বিচার-ব্যাবস্থার সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়।’’

নিজের লেখা শেষ বইয়ে অকপট স্বীকারোক্তি প্রণববাবুর। তিনি লিখেছেন, ২০০৪ সালে তাঁর নিজেরও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা হয়েছিল। পরবর্তী ক্ষেত্রে তা না হওয়ায় মনে দুঃখও পেয়েছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।