কলকাতা: দল থেকে বহিষ্কারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিস্ফোরক বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া। শনিবার ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘‘তৃণমূলে পরাধীন ছিলাম। আজ স্বাধীন হলাম।’’ এদিকে, শনিবারই হাওড়ায় একটি অনুষ্ঠানে বৈশালী ডালমিয়ার তৃণমূল থেকে বহিষ্কার নিয়ে মুখ খুলেছেন সদ্য রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈশালীর বহিষ্কারকে ‘দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন রাজীব।

শুক্রবার বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকে দল থেকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। দলবিরোধী কাজের অভিযোগে তৃণমূলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তাঁকে বহিষ্কার করেছে। বেশ কিছু দিন ধরেই প্রকাশ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছিলেন বৈশালী। শুক্রবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরেও সংবাদমাধ্যমে রাজীবের সমর্থনে সরব হয়েছিলেন তিনি।

বৈশালী গতকাল বলেছিলেন, ‘‘রাজীবের পদত্যাগে দলের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। শুধু দলেরই নয়, এটা সাধারণ মানুষেরও ক্ষতি। এমন একজন দায়িত্ববান মন্ত্রীর ইস্তফা দলের জন্য সত্যিই দুশ্চিন্তা এবং অত্যন্ত দুঃখের বিষয়। সত্যিই কাজ করতে খুব অসুবিধা হচ্ছে। প্রত্যেকেই দলকে ভালবাসেন। কিন্তু আত্মমর্যাদাও তো রয়েছে। যাঁদের আত্মসম্মান রয়েছে, তাঁরা দিনের পর দিন এই অপমান মেনে নিতে পারেন না।’’ তার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেয় তৃণমূল।

দল থেকে বহিষ্কারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলকে তুলোধনা বৈশালীর। শনিবার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মদিনে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি লিখলেন, ‘‘গত ৫ বছর তৃণমূলে স্বাধীনতা পাইনি। পরাধীন অবস্থায় ছিলাম। দল থেকে বেরিয়ে গিয়ে স্বাধীনতা পেয়েছি।’’

বালিতে কয়েকমাস ধরেই বৈশালীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিল তৃণমূলের নীচুতলার কর্মীদের। কয়েকদিন আগে তাঁর আপ্ত সহায়ককে তৃণমূলের কয়েকজন কাউন্সিলর মারধর করেছেন বলেও অভিযোগ। সম্প্রতি বালিতে বৈশালীর বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ে৷ সেখানে লেখা ছিল, “আমরা বহিরাগত প্রার্থী চাই না। স্থানীয় প্রার্থী চাই।”

সেই ঘটনার পর থেকে দলের বিরুদ্ধে সুর আরও চড়াতে শুরু করেন বৈশালী ডালমিয়া। শেষমেশ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাঁকে। তবে তিনি বিজেপিতে যাচ্ছেন কিনা সেব্যাপারে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু জানাননি বৈশালী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।