হাওড়া : চলে গেলেন প্রবাদপ্রতিম অধ্যাপক ও বিশিষ্ট পদার্থবিদ মৃণালকান্তি দোয়ারী।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,তিনি বেশ কিছুদিন ধরে হাইপোক্যালেমিয়ায় ভুগছিলেন। দোয়ারি, মাইতি, মজুমদার। পদার্থবিজ্ঞান শিক্ষার তিন লেখকের মধ্যে চলে গেলেন দোয়ারি।

কয়েকদিন আগেই সুস্থ হয়ে গ্রামীণ হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে খিলায় নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন মৃণালবাবু।রবিবার দুপুর ১ টা ৪৫ নাগাদ তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।উল্লেখ্য,পদার্থবিজ্ঞানের এই বিদগ্ধ সাধক দীর্ঘদিন আমতা রামসদয় কলেজে অধ্যাপনা করেছেন।সামলেছেন বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব।অবসরের পরও তিনি বিজ্ঞান সাধনায় নিজেকে নিযুক্ত রেখেছিলেন।তাঁর লেখা পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন বই ছাত্রসমাজে বিশেষভাবে সমাদৃত।মৃণাল বাবু রেখে গেলেন তাঁর একমাত্র পুত্র, পুত্রবধূ ও নাতি সহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন,সহকর্মী ও ছাত্রছাত্রীকে।

আমতা রামসদয় স্কুলের প্রাক্তন অধ্যাপক মৃণালকান্তি দোয়ারী দীর্ঘ সময় সেখানে পদার্থবিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান হিসাবেও শিক্ষকতা করেছেন। তাঁর অসংখ্য ছাত্র এই আকস্মিক মৃত্যুসংবাদে স্তব্ধ। তবে শেষ পর্যন্ত দোয়ারী স্যারের সবচেয়ে বড়ো পরিচয়, তিনি একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে জনপ্রিয় বইয়ের একজন অন্যতম লেখক। তাঁর মৃত্যুর পরেও সেই বই থেকে যাবে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।