ইসলামাবাদ: ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বে তাঁর জনপ্রিয়তার জুড়ি মেলা ভার৷ কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের মানুষের কাছে এখনও ‘প্রিয়’ হয়ে পারেননি ইমরান খান৷ বুধবার আইসিসি-র টুইট সমীক্ষায় বিশ্বকাপজয়ী পাক অধিনায়ক ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে পিছনে ফেলায় পাকিস্তানে সেলিব্রেশন মুডে পাকিস্তান৷

বিরাটকে হারিয়ে দিলেন ইমরান! আর সন্ধে থেকে সেটাই পাকিস্তানের খবরের চ্যানেলগুলোয় ব্রেকিং নিউজ। ক্যাপ্টেন হওয়ার পর ধারাবাহিকতায় উন্নতি করেছেন এরকম চারজন ক্রিকেটারের নাম উল্লেখ করে কে সেরা, নেটাগরিকদের কাছে জানতে চেয়েছিল আইসিসি। কোহলি, ইমরান ছাড়াও এই তালিকায় ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক এবি ডি’ভিলিয়ার্স এবং অস্ট্রেলিয়ার মহিলা দলের অধিনায়ক মেগ ল্যানিং।

আইসিসি-র এই টুইটার সমীক্ষায় সবাইকে পিছনে ফেলে জিতেছেন পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক তথা প্রধানমন্ত্রী ইমরান৷ অল্প ভোটের ব্যবধানে বিরাটকে পিছনে ফেলেছেন তিনি৷ ইমরান পেয়েছেন ৪৭.৩ শতাংশ ভোট। আর কোহলি পেয়েছেন ৪৬.২ শতাংশ ভোট। ডি’ভিলিয়ার্স ও ল্যানিং পেয়েছেন যথাক্রমে ৬ শতাংশ এবং ০.৫ শতাংশ ভোট।

গত এক দশকে তিন ফর্ম্যাটে কোনও পাকিস্তানি ক্রিকেটার বিশ্ব ক্রিকেট ফ্যানেদের মন জয় করতে পারেননি৷ ফলে প্রাক্তন অধিনায়কের আইসিসি-র সমীক্ষা সাফল্যে মশগুল পাকিস্তানের আমজনতা৷ তবে সেলিব্রেশনের প্রধান কারণ ভারতীয় অধিনায়ক কোহলিকে হারানোয়৷ ফলাফল ঘোষণার পর সে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলি একে ‘ব্রেকিং নিউজ’ হিসেবে দেখাতে শুরু করেছে।

তবে ভারতীয় নেটাগরিকরাও পালটা ট্রোল করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘টুইটারে জেতার জন্য ইমরান খানকে অভিনন্দন। তবে আমাদের বিরাট কোহলি, বা তাঁর ভক্তদের এইসব বোকা বোকা টুইটার পোলে উৎসাহ নেই। ব্রেকিং নিউজ হিসেবে দেখানো তো দূরের কথা, ভারতের নিউজ চ্যানেলগুলো এটাকে খবর বলেই মনে করে না। তবু এই ছোট্ট জয়ের জন্য অভিনন্দন।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।