খড়গপুর: বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে ঘোর অস্বস্তিতে তৃণমূল। নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু দলের সঙ্গে দূরত্ব অনেকটাই বাড়িয়েছেন। তাঁর দলে থাকার সম্ভাবনা ক্রমশই ক্ষীণ হয়ে আসছে।

এরই মধ্যে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতা অমূল্য মাইতির ব্যক্তিগত নিরাপত্তরক্ষী প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদেই কি নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হল বর্ষীয়ান এই তৃণমূল নেতার? জেলা রাজনৈতিক মহলে শুরু গুঞ্জন।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ অমূল্য মাইতি। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বেশ ভালো। শুধু শুভেন্দুই নন, অধিকারী পরিবারের প্রত্যেকের সঙ্গে মধুর সম্পর্ক অমূল্যবাবুর। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত অমূল্য মাইতি।

শুভেন্দু পশ্চিম মেদিনীপুরে এলে তাঁর সঙ্গে প্রা সব কর্মসূচিতেই থাকতেন অমূল্যবাবু। সেই কারণেই দলের সঙ্গে শুভেন্দুর দূরত্ব বাড়ার পরেই অমূল্য মাইতির নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়ার ঘটনা ঘিরে ইতিমধ্যেই জেলা রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। যদিও অমূল্য মাইতি নিজে এই ঘটনা সম্পর্কে বিশদে কিছু জানাননি।

এদিকে, নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু তৃণমূলেই থাকছেন কিনা, তা স্পষ্ট হয়ে যাবে ৬ ডিসেম্বর, রবিবার। সূত্রের খবর, ওই দিন কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করত পারেন শুভেন্দু। অন্যদিকে, শুভেন্দুকে নিয়ে বেশ বিড়ম্বনায় তৃণমূল। একইসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভের সুর এবার দলেরই বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়ের গলাতেও।

সম্প্রতি বরাহনগরের এক জনসভায় নন্দীগ্রামের এই বিধায়ক সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী আমাদের দলের ভালো নেতা ছিলেন। তিনটি দফতরের মন্ত্রী ছিলেন। আমি ওঁকে বলেছিলাম, ওঁর যদি অভিষেকের সঙ্গে সমস্যা থাকে অভিষেকের সঙ্গে বসিয়ে দিচ্ছি। পিকে-র সঙ্গে সমস্যা হলে পিকে-র সঙ্গে বসিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু ও যদি সব কিছুর পরেও এখন মনে করে বিজেপিতে যাবে, কিছু বলার থাকে না।”

এরই পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “আমরা রক্ত দিয়ে তৃণমূল দল তৈরি করেছি। যে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে চলে যাবে, তাঁর সঙ্গে দলের কোনও সামাজিক সম্পর্ক থাকবে না। আমি সৌগত রায় তাঁর মুখ দর্শন করব না।” প্রসঙ্গত, সৌগত রায় এর আগেও শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে নিজে দু’বার বৈঠক করেছিলেন। একবার অভিষেক বন্দোপাধ্যায় ও পিকে-র সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বৈঠকের পরেও বরফ গলেনি৷ শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে থাকবেন কিনা তা স্পষ্টভাবে কিছু জানাননি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।