নয়াদিল্লি: আর মাত্র দু’সপ্তাহ বাদেই শুরু হবে বাজেট অধিবেশন৷ করোনা পরিস্থিতিতে সাংসদদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার৷ অধিবেশ শুরু হওয়ার আগেই সব রকম বন্দোবস্ত সেরে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷

কোভিড প্যান্ডেমিক শুরু হওয়ার পর এটাই প্রথম বাজেট অধিবেশন৷ ২৯ জানুয়ারি গুরুত্বপূর্ণ বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই প্রত্যেক সাংসদকে আরটি-পিসিআর টেস্ট করানোর কথা বলা হয়েছে৷ কোভিড গাইডলাইন মেনেই সাংসদদের বসার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে বলেও জানান লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা৷

তিনি বলেন, ‘‘সম্মানীয় সকল সাংসদকে আরটি-পিসিআর টেস্ট করানোর জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে৷ তাঁদের বাড়ির কাছেই এই টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ যাতে তাঁরা নিরাপদে টেস্ট করাতে পারেন এবং সুষ্ঠ ভাবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে পারেন৷’’

ওম বিড়লা আরও জানান, ২৭ ও ২৮ জানুয়ারি সাংসদদের পরিবার ও কর্মীদের জন্যে সংসদ ভবনে আরটি–পিসিআর টেস্টের ব্যবস্থাও করা হয়েছে৷ এই টেস্ট করানো বাধ্যতামূলক।

সাংসদদের টিকাকরণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘টিকাকরণের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের নির্ধারিত নীতি সাংসদদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে৷ আমাদের টিকা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে৷’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রতিটি রাজ্যেপ মুখ্যমন্ত্রী, বিধায়ক এবং সাংসদরা টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে আগ্রাধিকারের তালিকায় থাকবে না৷

এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন, সকাল ৯টা থেকে বসবে রাজ্যসভার অধেবেশন৷ চলবে দুপুর ২টো পর্যন্ত৷ লোকসভা অধিবেশন হবে বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত৷ থাকবে জিরো আওয়ার এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব৷

অন্যদিকে, কৃষি আইন নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটির (জেপিসি) দাবির বিষয়ে বিড়লা জানান, হাউসের বাইরে করা দাবিগুলি এখনও পর্যন্ত সংসদের এজেন্ডার অংশ নয়।

তিনি বলেন, ‘আমি সবকটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গেই কথা বলেছি৷ বিতর্ক ও বিলের বিষয়গুলি দুটি কক্ষের বিজনেস অ্যাডভাইসরি কমিটি (‌বৈঠকে)‌–তে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ কৃষি বিল নিয়ে বিশেষ আলোচনা করার জন্য এখনও কোনও প্রস্তাব তিনি পাননি বলেই জানান স্পিকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।