নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে একধাক্কায় ৩০ শতাংশ বেতন কমিয়ে দেওয়া হল সাংসদদের। সোমবার সংসদে এই সংক্রান্ত একটি অর্ডিন্যান্স পাশ হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতির জন্য আর্থিক ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে গোটা বিশ্ব। ভারতও তার ব্যতিক্রম নয়। আর সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সবরকমের চেষ্টা জারি রেখেছে সরকার। আর এটাও তারই একটা পদক্ষেপ। বেতন কমছে সব রাজ্যের রাজ্যপালদের।

প্রত্যেকেই নিজেদের ইচ্ছেয় বেতন কমিয়েছেন। শুধু তাই নয়, সাংসদ তহবিলের টাকা দেওয়ার স্কিম আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। আপাতত ২ বছরের জন্য স্থগিত করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, সাংসদ তহবিলের ৭৯০০ কোটি টাকা যাবে করোনা মোকাবিলার ফান্ডে।

আগামী ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হতে চলেছে সেই সিদ্ধান্ত।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী দেশে আক্রান্তের সংখ্যাও ইতিমধ্যে ৪০০০ পার করে ফেলেছে, পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪,০৬৭ জন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকে রবিবার রাতে ৯ মিনিটের জন্য মোমবাতি, প্রদীপ জ্বালিয়ে একতার বার্তা দিয়েছিল দেশ। তারপরের দিন সকালেই আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে ৪০০০। মৃত ১০৯ জন।

সোমবার, এদিন বিজেপি দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদী বলেন, ‘লড়াইটা অনেক লম্বা। আর সেই লড়াইতে আমাদের ক্লান্ত হলে বা থেমে গেলে চলবে না। আমাদের জয়ী হতেই হবে। আমাদের এখন একটাই লক্ষ্য। যুদ্ধে জিততেই হবে।’

এদিকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণা করেছেন মোদী। ১৪ এপ্রিলের পর লকডাউন উঠে যাবে কিনা, সেই বিষয়ে কোনও তরফেই কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে মোদীর এই লম্বা যুদ্ধের কথায় জল্পনা বেড়েছে। অনেকেই মনে করছেন, লকডাউন লম্বা করার ইঙ্গিত দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও সরকারিভাবে সেরকম কিছু জানা যায়নি। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি দেখেই ১৪ এপ্রিল সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।