তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া : বাম-কংগ্রেস ও আব্বাস সিদ্দিকী জোট তাঁদের কাছে কোনও ‘ফ্যাক্টর নয়’। দাবি বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা ও সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শনিবার বাঁকুড়া বিধানসভা এলাকার কাঞ্চনপুরে রাজ্য সরকারের রিপোর্ট কার্ড হাতে প্রচার কর্মসূচীতে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই কথা বলেন।

একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্যে ৮ দফায় ভোট ভোট প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কোনও মন্তব্য করতে চাননি দলনেত্রী ঘনিষ্ট এই তৃণমূল নেতা।

তিনি বলেন, “এবিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলেছেন তার বাইরে যোগ-বিয়োগের কোনও ব্যাপার নেই।”

তাঁরা ক্ষমতায় এলে রাজ্যে এক দফায় ভোট হবে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘উনি স্বপ্নে আছেন, স্বপ্নে থাকুন। ক্ষমতায় আসার কথা যতোই বলুন ওঁদের স্বপ্নেই থাকতে হবে’।

তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা কবে ঘোষিত হবে? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরও এড়িয়ে যান এই বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা। প্রশ্নকর্তা সাংবাদিককে তিনি বলেন, ‘এতো গুলো প্রশ্ন আপনি করবেন না।’ উপস্থিত ঐ সাংবাদিকের সব প্রশ্নের উত্তর তিনি দেবেন না বলেই সটান জানিয়ে দেন।

এদিনের কর্মসূচীতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক শম্পা দরিপা, দলের জেলা কো-অর্ডিনেটর সুব্রত দরিপা, বাঁকুড়া-২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি ধ্রুব বন্দোপাধ্যায় প্রমুখ।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে দিল্লির বিজ্ঞানভবন থেকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ চারটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে কমিশন। সেখানেই জানানো হয়, বাংলায় মোট ৮ দফায় ভোটগ্রহণ হবে। এরপরই সাংবাদিক বৈঠকে কমিশনের উদ্দেশ্যে ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, ৮ দফায় ভোট কেন? কাকে সুবিধা করে দেওয়ার জন্য? তাঁর দাবি, বিজেপির অনুরোধে এটা করা হয়েছে। শনিবার বালুরঘাটে চা চক্রে এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে একদফায় ভোট হবে। এটা আত্মসম্মানের ব্যাপার, করতেই হবে। এখানে রাজনৈতিক নেতাদের পাহাড়ায় জওয়ানরা থাকে, পুলিশকে পাওয়া যায় না’।

দিলীপের এই মন্তব্যের পালটা তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘দিলীপ ঘোষ পদ্ধতিটাই জানেন না। ক’দফায় ভোট হবে, সেটা কমিশন ঠিক করে। কমিশন জোর করে আটদফায় করছে। দিলীপ ঘোষ কীভাবে বলছেন একদফায় করবেন, জানি না। দিবাস্বপ্নই থেকে যাবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.