ফাইল ছবি।

স্টাফ রিপোর্টার,বনগাঁ: পুর নির্বাচনের আগে ফের প্রকাশ্যে বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল। করোনাভাইরাসের জেরে উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরের বারুণী মেলা বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে, বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল। বিজেপি সমর্থকদের উপরেই হামলার অভিযোগ উঠল খোদ গেরুয়া শিবিরের সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের অনুগামীদের বিরুদ্ধে।

এবছর ঠাকুরনগরে বারুণী স্নানের মেলা বন্ধ রাখার দাবিতে, ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় বিজেপির অন্দরে। ঘটনার জেরে মারধোরে জখম হয়েছেন, মোট ৬জন। তার মধ্যে আছেন বিজেপি কর্মীও। যাঁরা জখম হয়েছেন তাঁরা হলেন মলয় মণ্ডল, আইনজীবী লিটন মৈত্র, বাবলু দাস, কালীপদ ভৌমিক, দুলাল দেব সমদ্দার ও অনুপ বিশ্বাস। এদের মধ্যে মলয় মণ্ডলের শারীরিক অবস্থা গুরুতর। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ি এলাকায়।

সূত্রের খবর, করোনাভাইরাসের আতঙ্কে এবছর ঠাকুরনগরের ঐতিহ্যপূর্ণ বারুণী মেলা বন্ধ রাখার পক্ষে প্রচার শুরু করে বিজেপি কর্মীদের একাংশ। তবে সাংসদ শান্তনু ঠাকুর ওই বিজেপি কর্মীদের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেনি। তা সত্বেও ওই বিজেপি কর্মীরা করোনাভাইরাস ইস্যুতে, ঠাকুর বাড়িতে মেলা বন্ধের জন্য প্রচার করছিলেন এবং বিভিন্ন মহলে স্মারকলিপি জমা দিচ্ছিলেন।

এই মর্মে ওই বিজেপি কর্মীরা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মমতা বালা ঠাকুরের কাছে মেলা বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপি জমা দিয়ে ঠাকুর বাড়িতে সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের কাছেও যান স্মারকলিপি জমা দিতে। যদিও ওই বিজেপি কর্মীদের স্মারকলিপি গ্রহন করেননি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর।

অভিযোগ, এরপর ঠাকুরবাড়ি থেকে গাড়ি নিয়ে ওই বিজেপি কর্মীরা বেরোতেই, শান্তনু ঠাকুরের আশ্রিত ১৫-২০ জনের একটি দুষ্কৃতি দল তাদের গাড়িতে হামলা চালায়। এই ঘটনায় ৬ জন আহত হন। তাদের মধ্যে মলয় মন্ডল নামে এক বিজেপি কর্মী গুরুতর জখম। তার মাথা ফেটে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা অভিযোগ করেন, তাদের উপর হামলা চালিয়েছে বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এদিকে, গাইঘাটা থানার পুলিশের পক্ষ থেকে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।