নয়াদিল্লি: কিছুদিন আগেই বড় মেয়েকে হারিয়েছেন অভিনেত্রী মৌসুমি চট্টোপাধ্যায়। আগে থেকে নানা পারিবারিক গন্ডগোল ছিলই, তবে সম্প্রতি জানা গিয়েছে, অভিনেত্রীর জামাই তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন।

ডিসেম্বরের ১৩ তারিখ মারা গিয়েছেন পায়েল ডিকি সিনহা। মৌসুমি চট্টোপাধ্যায় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পায়েলের স্বশুরবাড়ির লোকজন এবং স্বামীকে কঠোর শাস্তির সম্মুখীন করাবেন। ডিকি পায়েলের স্বামী হিসেবে তাঁর স্বাস্থ্যের যথেষ্ট খেয়াল রাখেননি এবং চিকিৎসার খরচ বহন করেনি।

পায়েল দীর্ঘ সময় অসুস্থতায় ভুগেছেন সেই সময় মেয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব পেতে চেয়ে আইনি লড়াই করেছিলেন মৌসুমি।

পায়েলের মৃত্যুর পর ডিকি সিনহা বলছেন, মৌসুমির অভিযোগ মিথ্যে তাই তাঁকে এবং পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যে কথা বলার জন্য আগামী মাসেই মানহানির মামলা করবেন।

ব্যবসায়ি ডিকি সিনহার দাবি, “সেই সময় আমি পুরোপুরি চুপ ছিলাম এবং আমার একমাত্র লক্ষ্য ছিল আমার স্ত্রী পায়েলের যত্ন নেওয়া। আমি ঘন্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছি, ওঁর বাপেরবাড়ির লোকজনদের এসএমএস পাঠিয়েছি যাতে তাঁরা পায়েলের শেষকৃত্যতে উপস্থিত থাকতে পারেন”।

এই প্র্সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “আমাকে সব নিয়মগুলো শেষ করতে হবে যা কিছুটা সময়সাপেক্ষ। ৪০ দিন পরে ত্রিভেনিতে পায়েলের পিণ্ডদান করতে যেতে হবে। আমি চাই পায়েলের আত্মার শান্তি হোক। তারপরেই মৌসুমি চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জানুয়ারি মাসে মানহানির মামলা করব”।

চিকিৎসার খরচ বহনের বিষয়টিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, “যখন পায়েল খুব ভুগছিলেন, ডাক্তার আমাদের জানায় যে ওঁর রোগটা সাধারণ নয় সেই সময় ওঁর মা খুব কম পায়েলের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন। পায়েলের বোন এবং বাবা প্রায়ই আসত দেখা করতে”।