স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন , তাঁর গাওয়া গান তাঁর নাম গন্ধ না রেখে একটি বড় সংবাদমাধ্যম সঙ্গীত শিল্পী ইমনের নামে চালিয়ে দেওয়ায়। এবার মৌসুমি ভৌমিক খুশি। কারণ, ভুল পরিবর্তন করেছে সংবাদ মাধ্যম। নিজের সোশ্যাল মাধ্যমে এই কথা জানিয়েছেন গায়িকা।

মৌসুমি ভৌমিক অবাক হয়েছিলেন এটা দেখে যে ইমনের মতো জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী এমন ঘটনার সঙ্গে জরিত থাকায়, কারণ ওই সংবাদমাধ্যম যে গানটি টেলিকাস্ট করছিল সেটি ইমনের কণ্ঠে গাওয়া মৌসুমি ভৌমিকের ‘আমি শুনেছি সেদিন’ গান। সম্প্রতি ‘বড় লোকের বিটিলো’ গানটির একটি লাইন নেওয়ার জন্য চরম বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন র‍্যাপ গায়ক বাদশা।

গায়ক রতন কাহারের সেই গান বহু বার বহু জায়গায় ব্যবহৃত হলেও এবারেই বিতর্ক চরমে পৌছায়। শেষে বাদশা নিজে আসল গায়ককে সাহায্য করে আগুনে জল দেন। মৌসুমি ভৌমিক আবার এমন একজন গায়িকা যিনি এসব নিয়ে কোনওদিন ভাবেননি।

সব সময়েই তাঁর গান বলেছে প্রতিবাদের কথা, লড়াইয়ের কথা। একটু আলাদারকম বললে ভুল হবে না। প্রচারের আলোর বাইরে থাকতে পছন্দ করেন। সেই গায়িকাও শেষে বাধ্য হলেন সামনে আসতে, কারণ নিজের গান বেমালুম ‘চুরি’ হয়ে গিয়েছে বলে জানাচ্ছেন তিনি। ঘটনা হল সেই গান ‘কভার’ করেছেন জাতীয় পুরস্কার গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। আবার সেই গানটি চালানো হয়েছিল বাংলার একটি অতি জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যমে যেখানে বলা হয়েছে ‘করোনা মোকাবিলার গান’।

ক্ষুব্ধ এবং দুঃখিত গায়িকা জানিয়েছিলেন , ‘এই গানটা অনেকটা একটা কলা গাছের মতন; পাতা থেকে কান্ড, ফুল থেকে ফল, মাথা থেকে পা, বাম থেকে ডান, হেন অংশ নেই যে ব্যবহার করা যায় না। আমি তো ত্রাসের সঙ্গে অপেক্ষা করে আছি কবে বিজেপিও তুমি তুমি তুমি বলে গেয়ে উঠবে, কারণ এমোড়ে সিপিএম, ওমোড়ে তৃণমূল আর দূরে সাইডে কতিপয় নকশাল, ইন্ডিপেন্ডেন্ট, apolitical, anarchist, new age–এসব তো হয়েই চলে।

এখন ইমনের কল্যাণে আমাদের জানা হয়ে গেল যে, আমার এই গান করোনার মুখোমুখি দাঁড়াবার সাহসও যোগাতে পারে। এর পর কিন্তু যাই বলুন, করোনায় মরে গেলেও আর দুঃখ থাকবে না। কিছু তো রেখে গেলাম।’ তবে এবার সমস্যার হাল হওয়ায় তিনি খুশি।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।