কাঠমান্ডু: আসন্ন বিপদের আশঙ্কায় ভুগছে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট। এই বিপদ সৃষ্টির পিছনে একমাত্র রয়েছে মানুষেরাই। মানুষ পৃথিবীর দীর্ঘতম, গভীরতম এমনকি মহাকাশে দূষণ ছড়িয়েছে। মাউন্ট এভারেস্টের শীর্ষের ঠিক কয়েক মিটার নীচে বিজ্ঞানীরা মাইক্রোপ্লাস্টিকস খুঁজে পেয়েছেন। মাইক্রোপ্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে এভারেস্টের তুষার ও এভারেস্ট পৃষ্ঠের ব্যাপক ক্ষতি হবে।

মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা ৮৮৪৮ মিটার। মাইক্রোপ্লাস্টিক আবর্জনা মাউন্ট এভারেস্টের ৪০০ মিটার নীচে পাওয়া গেছে। এগুলো সব বরফের সঙ্গে মিশে ছিল। এই মাইক্রোপ্লাস্টিক বর্জ্য যেখানে পাওয়া যায় তাকে এভারেস্টের বারান্দা বলা হয়।

দ্য গার্জিয়ান-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, এভারেস্টের বেস ক্যাম্পের কাছে বেশিরভাগ মাইক্রোপ্লাস্টিক বর্জ্য পাওয়া গেছে। শুধু হিমালয় না আল্পসএও মিলেছে এমন মাইক্রোপ্লাস্টিক বর্জ্য।

প্লেমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ইমোজেন ন্যাপার জানিয়েছেন, তিনি বরাবরই মাউন্ট এভারেস্টকে খাঁটি ও পরিচ্ছন্ন বলে মনে করেন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, মাইক্রোপ্লাস্টিক বর্জ্য এবং দূষণ শুনে তিনি অবাক হয়েছেন। তিনি বলেন, এটা একটা দুঃখজনক ঘটনা। তিনি বলেন,”আমাদের এখন এমন সমাধান খুঁজে বের করতে হবে যা এভারেস্টের দূষণ কমায়।” ইমোজেন জানিয়েছেন, “আপনি প্লাস্টিকের বর্জ্য অপসারণ করতে পারবেন না। আমাদের এর পুনর্ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে।”

উল্লেখ্য, মাউন্ট এভারেস্টে দূষণের বিষয়টি বহু বছর ধরেই উঠে আসছে। ২০১৯ সালে মোট ৮৮০ জন মাউন্ট এভারেস্টের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয় করেন। প্রতি বছর বহু মানুষের এই যাতায়াতের জেরে এমন ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।