কলকাতা২৪x৭: সম্প্রতি মটোরোলা কোম্পানি ইউরোপে লঞ্চ করেছে তাদের Moto G20 স্মার্ট ফোনটি। এই স্মার্ট ফোনে রয়েছে একটি Unisoc T700 SoC, যা যুক্ত করে 4GB RAM এবং Mali G52 GPU পরিষেবাগুলিকে। Moto G20 স্মার্ট ফোনে স্টোরেজের থাকছে ১২৮ জিবি অনবোর্ড স্টোরেজের সঙ্গে অতিরিক্ত ১ টিবি স্টোরেজের জন্য একটি মাইক্রোএসডি কার্ডের ব্যাবস্থা। এছাড়াও ক্যামেরার জন্য মটোরোলাতে রাখা হয়েছে একটি কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ, যার মধ্যে যুক্ত রয়েছে একটি 48-megapixel primary সেন্সার। স্মার্টফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১১-ভিত্তিক মাই ইউএক্স স্কিন চালাতে সক্ষম। তবে ইউরোপে Moto G20 স্মার্ট ফোনটি প্রকাশ করলেও ভারতের মতো এই বৃহৎ বাজারে কবে প্রকাশ করা হতে পারে তা জানানো হয়নি।

ইউরোপে Moto G20 স্মার্ট ফোনটি ৪ জিবি ও ৬৪ জিবি এবং ৪ জিবি ও ১২৮ জিবি দুটি বিকপ্লে প্রকাশ করা হয়েছে। সংস্থার ওয়েবসাইটে এখনও বিক্রির জন্য কার্যকর করা হয়নি ফোনটি। GSMArena এবং 91Mobiles রিপোর্ট অনুযায়ী ৬৪ জিবি স্টোরেজের দাম রাখা হয়েছে EUR 149, ভারতীয় মূল্যে যা প্রায় ১৩,৫০০ টাকা। তবে ১২৮ জিবি স্টোরেজের বিকপ্লের এখনো দাম প্রকাশ করা হয়নি সংস্থার তরফে। কবে থেকে Moto G20 স্মার্ট ফোনটি বিক্রি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে তা এখনও আজানা রয়েছে।

সদ্য ইউরোপের বাজারে লঞ্চ করা Moto G20 স্মার্ট ফোন চলবে Android 11 দ্বারা, যার ওপরে থাকবে My UX। ৬.৫ ইঞ্চি এইচডি প্লাস আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লের সঙ্গে থাকবে ২০:৯ অ্যাস্পেক্ট রেশিও, এবং ৯০ হার্জ রিফ্রেস রেটের পরিষেবা। সেলফি ক্যামেরার জন্য থাকবে একটি ভি সেপ নোচ ব্যাবস্থা। এর পাশাপাশি থাকবে একটি octa-core Unisoc T700 SoC এবং Mali G52 GPU। স্টোরেজের জন্য মিলবে ৪ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি অনবোর্ড স্টোরেজ, যা ১ টিবি পর্যন্ত বাড়াতে পারবে গ্রাহকরা।

ক্যামেরার জন্য Moto G20 স্মার্ট ফোনে রয়েছে একটি কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা সেটআপের ব্যাবস্থা। এই সেটআপের মধ্যে যুক্ত করা রয়েছে একটি 48-megapixel primary সেন্সারের সঙ্গে একটি f/1.7 লেন্স, একটি 8-megapixel ultra-wide সেন্সারের সঙ্গে f/2.2 লেন্স, একটি 2-megapixel macro সেন্সারের সঙ্গে একটি f/2.4 লেন্স, এবং একটি 2-megapixel depth সেন্সারের সঙ্গে একটি f/2.4 লেন্স। সেলফি এবং ভিডিও কলের জন্য রয়েছে 13-megapixel সেলফি ক্যামেরার সঙ্গে একটি f/2.2 লেন্স-এর ব্যাবস্থা। এছাড়াও ৫,০০০ মেগাহার্জের একটি ব্যাটারি পরিষেবা, যা ১০ ওয়াট দ্রুত চার্জিং সমর্থন করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.